1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নাটকীয়তা

পবিত্র কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নাটকীয় ঘটনা ঘটে চলেছে৷ বৃহস্পতিবার প্রথমে ঘোষণা আসলো কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের৷ কিন্তু পরে আবার বলা হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত বাতিলের ঘোষণা পুনর্বিবেচনা করার চিন্তা করা হচ্ছে৷

default

টেরি জোনস

বৃহস্পতিবার দিনটি শুরু হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মন্তব্য দিয়ে৷ তিনি কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছিলেন কড়া ভাষায়৷ এরপর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস ফোন করেন টেরি জোনসকে, যিনি কোরআন পোড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন৷ সেসময় মন্ত্রী জোনসকে বলেন, যদি সত্যিই কোরআন পোড়ানো হয় তাহলে সারা বিশ্বে যে মার্কিন সেনারা কাজ করছে তাঁদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে৷

এই ধরণের আশঙ্কার কথা প্রথম উচ্চারণ করেছিলেন আফগানিস্তানে থাকা মার্কিন কমান্ডার জেনারেল পেট্রায়াস৷ তারপর ওবামাও একই কথা বলেছিলেন৷ আর ইন্টারপোল মুসলিম দেশগুলোতে দাঙ্গার আশঙ্কা করছিল৷ যেমনটা হয়েছিল ২০০৫ সালে মহানবীর কার্টুনকে কেন্দ্র করে৷ এছাড়া জার্মান চ্যান্সেলর, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন৷

প্রতিরক্ষামন্ত্রী গেটসের সঙ্গে ফোনে কথা হওয়ার পর সময় গড়িয়ে যায়৷ তারপর একসময় জোনস সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা দেন যে, তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন৷ এর কারণ হিসেবে বলেন, তাঁর সঙ্গে মুসলিম নেতাদের একটি চুক্তি হয়েছে৷ ফলে গ্রাউন্ড জিরোর কাছে আর মসজিদ নির্মিত হবেনা৷

ঐ সম্মেলনে জোনসের পাশে ছিলেন অরল্যান্ডোর একটি মসজিদের ইমাম৷ যার নাম মোহাম্মদ মুসরি৷ তিনি পরে এই ধরণের চুক্তির কথা অস্বীকার করেন৷ বলেন মসজিদ সরানো নিয়ে কোনো চুক্তি হয়নি৷ চুক্তি যেটা হয়েছে সেটা হলো তিনি ও জোনস নাইন ইলেভেনের দিন মানে আগামীকাল নিউ ইয়র্কে যাবেন৷ এবং সেখানে তারা সাক্ষাত করবেন ফয়সল আব্দুল রউফের সঙ্গে৷ যিনি এই মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান৷

জোনসের কাছে যখন এই কথা পৌঁছাল তার পরপরই জোনস বললেন যে মসজিদ সরানোর ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে মিথ্যাচার করা হয়েছে, তাই তিনি কোরআন পোড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের ঘোষণা পুনরায় বিবেচনা করে দেখবেন৷

কে এই জোনস ?

টেরি জোনস হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ‘ডাভ ওয়ার্ল্ড আউটরিচ সেন্টার’ নামে ছোট্ট একটি চার্চের প্রধান৷ এর আগেও ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় আসার রেকর্ড রয়েছে এই সেন্টারের৷ যেমন ২০০৯ সালে সেন্টারের মাঠে ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত কথা লিখে সাইনবোর্ড আকারে তা টাঙিয়ে রাখা হয়েছিল৷ যেটা নিয়ে সেসময় অ্যামেরিকার মুসলমানদের মধ্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল৷ এছাড়া একসময় ইসলাম বিরোধী টি-শার্টও বের করেছিল এই সেন্টারটি৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

নির্বাচিত প্রতিবেদন