1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কেট-উইলিয়ামের বিয়ে নিয়ে অভিবাসীদের আগ্রহ কম

এ মাসেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছে প্রিন্স উইলিয়াম এবং কেট মিডলটন৷ গোটা ব্রিটেন ভাসছে উৎসবের জোয়ারে৷ কিন্তু আসলেই কি তাই? ব্রিটেনের সাধারণ মানুষরা কীভাবে দেখছে এই রাজকীয় বিয়েকে?

Royal, engagement, Prince, William, Kate, Middleton, wedding, friends, Harry, Mead, প্রিন্স, উইলিয়াম, কেট, মিডলটন, অভিবাসী, Marriage, Britain, UK,

টারা উইন্ডসরের বয়স ২৬৷ উইন্ডসর নামটি শুনলে মনে হবে সে হয়তো রাজপরিবারের একজন সদস্য৷ আসলে তা নয়৷ টারা ভারত-জার্মান-ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত৷ পড়াশোনা করছে গ্লস্টারে৷

গোটা ব্রিটেনের জনসাধারণের প্রায় ৯ শতাংশ হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত৷ এর ৩০ শতাংশই বসবাস করে রাজধানী লন্ডনে৷ লন্ডনের সবাই যেভাবে কেট আর উইলিয়ামের বিয়েতে আগ্রহ দেখাচ্ছে, ব্রিটেনের অন্যান্য জায়গায় কিন্তু তেমনটা দেখা যাচ্ছে না৷ অনেকেই মনে করেন আধুনিকতার এই যুগে ব্রিটেন পিছিয়ে রয়েছে৷ এখনো রাজা-রানি, প্রাসাদে থাকা – এসব অযথা খরচের মধ্যেই পড়ে৷ টারা উইন্ডসর বলল, ‘‘তারা সবসময়ই একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে৷ প্রিন্স ফিলিপ তো সারাক্ষণই বৈষম্যমূলক মন্তব্য করছেন৷ কিন্তু আসল কথা হল এরা ব্রিটিশ সংস্কৃতির অংশ৷ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এদের প্রভাব রয়েছে৷''

Flash-Galerie Prinz William Kate Middleton

কেট-উইলিয়ামের বিয়ে উপলক্ষ্যে তৈরি স্মারক মগ

ইরিত্রিয়ান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মেসগানা৷ ২০০৪ সাল থেকে সে ব্রিটেনে বসবাস করছে৷ সে বলল, ‘‘রাজ পরিবারের সদস্যরা কেমন হয়, তারা কী করে সে সম্পর্কে আমার জ্ঞান কম৷ তবে আমি জানি, প্রিন্স উইলিয়াম খুব দয়ালু৷ সে তাঁর মায়ের মত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পছন্দ করে, তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে৷ ব্রিটিশ রাজ পরিবার এভাবেই ব্রিটেনের প্রতিনিধিত্ব করছে বহির্বিশ্বে৷''

অ্যাঙ্গোলান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মারিয়ো দিয়েগো পড়াশোনা করছে নিউক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ সে বলল, ‘‘১৯৯৭ সালে মৃত্যুর কয়েক মাস আগে প্রিন্সেস ডায়ানা আমাদের দেশে এসেছিলেন৷ মাইন ফিল্ডের মধ্যে দিয়ে নির্ভয়ে হেঁটে গেছেন৷ খুব কাছ থেকে দরিদ্র মানুষদের দেখেছেন৷ তাদের কাছে টেনে নিয়েছেন৷ তাঁর পুত্র উইলিয়াম যদি এমন কাজের সঙ্গে সবসময়ই সম্পৃক্ত থাকে তাহলে একদিন সে উপযুক্ত এবং যোগ্য রাজা হতে পারবে৷''

বোঝা যাচ্ছে রাজপরিবার নিয়ে ব্রিটেনের মানুষরা খুশি, আনন্দিত এবং গর্বিত৷ তবে সবাই কি ২৯ তারিখে টেলিভিশনের সামনে বসে থাকবে? ডিয়েগো জানাল, ‘‘না, আমি হয়তো শুধু হাইলাইটগুলো দেখবো৷''

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন