1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

কৃত্রিম পা নিয়ে ঘোড়সওয়ার

দু’টি পা নেই এবং একটি হাত নেই৷ তা সত্ত্বেও জার্মানির স্টেফেন সাইবিশ তাঁর ভাল্ডেমার ঘোড়াকে সাথী করে ‘ড্রেসাজ’ অর্থাৎ ঘোড়ার ট্রেনিং করে থাকেন তাঁর প্রস্থেসিস বা কৃত্রিম পা’এর কল্যাণে৷

default

প্রতীকী ছবি

প্রস্থেটিক পা অর্থাৎ আর্টিফিসিয়াল লিম্ব-এর কল্যাণে স্টেফেন সাইবিশ হাঁটতে পারেন, যেন তার বাস্তবিক দু'টো পা আছে৷ নড়ানো যায় এমন গোড়ালি ও হাঁটুর গাঁট যুক্ত একটি হাই-টেক প্রস্থেসিস৷ জন্ম থেকেই সাইবিশ-এর পা নেই এবং একটি বাহু ছোট৷ তা সত্ত্বেও তিনি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন, যা শুধু উচ্চমানের প্রস্থেসিস থাকলে করা সম্ভব৷

ড্রেসাজ ঘোড়সওয়ার স্টেফেন সাইবিশ বলেন: ‘‘এই সংক্রান্ত প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই যথেষ্ট ভালো বলে আমার ধারণা৷ এবার স্পোর্টসম্যান-দের পালা, তাদেরই ড্রেসাজ করার আগ্রহ থাকা চাই; সেটা কী ভাবে করা সম্ভব, তার খোঁজ করতে হবে৷ তাদেরই প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, প্রস্থেসিস নিয়ে হোক আর না হোক৷''

প্রথম পদক্ষেপ দেখলে অবশ্য আশাই জাগে৷ ২০১২ সালের প্যারালিম্পিক্সের মতো বড় বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার পর সাইবিশের কাছে আজকাল বহু ই-মেল আসে: ‘‘কয়েক বছর আগেও এই পরিমাণে আসতো না৷ আমি কী ভাবে কী করি; তারা এসে সেটা দেখতে পারে কিনা; তারা একবার আমার ট্রেনিং দেখতে আসতে পারে কিনা৷ লন্ডনের পর এ সব সত্যিই বেড়েছে৷''

হাই-টেক প্রস্থেসিস

২০১২'র লন্ডন অলিম্পিক্সের মতো সুবিশাল প্রতিযোগিতায় বহু দর্শক আসে৷ কাজেই প্রস্থেসিস নির্মাতারা তাদের হাই-টেক পণ্য পরিবেশনের সুযোগ পান৷ নয়তো প্রস্থেসিস বিক্রি করা সোজা কাজ নয়৷ এ ব্যবসায় বিক্রিবাটা বাড়ে শুধু আরো নতুন, আরো দামী হাই-টেক যন্ত্র তৈরি করে৷ এন্ডোলাইট কোম্পানির সিইও টোমাস মিৎসেনহাইম বলেন, ‘‘যদি শল্যচিকিৎসায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ব্যবচ্ছেদ করার প্রবণতা কমেও যায়, প্রস্থেসিসের দাম বাড়তে থাকলে আমি আশ্চর্য হব না, কেননা ম্যাচিং পার্ট-গুলো ক্রমেই আরো আধুনিক, আরো অভিনব হয়ে উঠছে৷ মাইক্রোপ্রসেসর-নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক এই প্রস্থেসিস তৈরিতে একটি বিশাল ভূমিকা নিচ্ছে৷''

Roboter Medizintechnik

রোবট মানুষকে হাঁটতে সহায়তা করছে

নির্মাতারা নিজেরা বাড়ছেন প্রস্থেসিসের দাম বাড়িয়ে৷ স্টেফেন সাইবিশ-এর মতো প্রস্থেসিস ব্যবহারকারীরা স্বভাবতই সেই প্রস্থেসিস নিজে কেনার সামর্থ্য রাখেন না – জার্মানিতে সে দাম দেয় স্বাস্থ্য বিমা৷ দিনে দু'বার করে সাইবিশ তাঁর ঘোড়া ভাল্ডেমার-কে নিয়ে ট্রেনিং করেন৷ ঘোড়া এবং সাইবিশ-এর প্রস্থেটিক পায়ের উপর একটানা চাপ পড়ে৷ ট্রেনিং-এর ফলে ঘোড়া আরো ভালোভাবে ‘নাচতে' শেখে৷ কিন্তু প্রস্থেসিস প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বদলাতে হয়৷

সাইবিশ বলেন, ‘‘আমি প্রতিদিন অন্তত দশ ঘণ্টা এই প্রস্থেসিসের ওপর চলি৷ কাজেই আমি এই প্রস্থেসিসের উপর অতি বেশিমাত্রায় নির্ভরশীল৷ আমি প্রস্থেসিস ছাড়া থাকতে চাই না৷ কৃত্রিম পা ছাড়া আমার নিজেকে সত্যিই প্রতিবন্ধী বলে মনে হয়৷''

কৃত্রিম পা সহ সাইবিশ প্রস্থেসিসের একটা ভালো বিজ্ঞাপনও বটে৷ ইতিমধ্যে তিনি তাঁর কৃত্রিম পা নিয়েই অনেক পেশাদারি ড্রেসাজ রাইডারের চেয়ে ভালো৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক