1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

কৃত্রিম পা নিয়ে খেলাধুলায় সাফল্য

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা অনেক মানুষকেই দমিয়ে রাখতে পারে না৷ একদিকে মনের জোর, অন্যদিকে প্রযুক্তির উন্নতি কাজে লাগিয়ে তাঁরা অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখান৷ এমনই এক অ্যাথলিট-এর কাহিনি অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে৷

খেলাধুলাই হাইনরিশ পপফ-এর ধ্যানজ্ঞান৷ ২৮ বছর বয়স্ক এই যুবক প্রতিবন্ধীদের অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় সেরা অ্যাথলিটদের একজন৷ ন'বছর বয়সে এক টিউমারের কারণে তাঁর বাঁ পায়ের একটা অংশ হারাতে হয়৷ ফলে বাধ্য হয়ে তাঁকে পেশাদারি ফুটবল খেলোয়াড় হবার স্বপ্ন ত্যাগ করতে হয়৷ পপফ বলেন, ‘‘অ্যাম্পুটেশনের পর হাসপাতালের জানালার বাইরে তাকিয়ে বাচ্চাদের ফুটবল খেলা দেখতে খুব কষ্ট হয়েছিল৷ বাইরে যেতে না পারার কষ্ট মনকে যতটা পীড়া দিত, কেমোথেরাপি ততটা কষ্টকর ছিল না৷ অঙ্গহানি মেনে নেবার এটাই ছিল প্রথম ধাপ৷ খেলার মাঠে আমার আর জায়গা নেই৷ এতে কার না মেজাজ খারাপ হয়! তখন হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়, যে আর খেলা যাবে না৷ দু'টো না একটা পা আছে, তাতে কিছুই এসে যায় না৷ তখন খেলার আকাঙ্ক্ষা বেড়ে গেল৷ নিজের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে আরও সচেতন হয়ে পড়লাম৷''

হাইনরিশ পপফ সেই প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও হার মানেননি৷ বছরের পর বছর ধরে অনুশীলন ও কৃত্রিম অঙ্গের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির দৌলতে তাঁর মুভমেন্ট বাকি খেলোয়াড়দের থেকে আলাদা নয়৷ ২০১২ সালের গ্রীষ্মে পপফ লন্ডনে প্যারালিমপিক্স-এর জন্য অনুশীলন করেছেন৷ ১০০ মিটার দৌড়ে তিনিই ছিলেন ফেভারিট৷ পপফ বলেন, ‘‘এথেন্সে তৃতীয় ও বেইজিং-এ দ্বিতীয় স্থান পেয়েছি৷ আমার মটো হলো ৩-২-১৷ এভাবেই গুনতে শিখেছি৷ লন্ডনে জিততেই যাচ্ছি৷ দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান আগেই পেয়েছি৷ এবার আমি জয় চাই৷''

পপভ ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন৷ তাঁর জন্য বিশেষভাবে কার্বনের তৈরি কৃত্রিম অঙ্গই এমন ক্ষমতা নিশ্চিত করছে৷ পপফ বলেন, ‘‘এই কৃত্রিম অঙ্গের বৈশিষ্ট্য হলো, এর উপর পুরোপুরি নির্ভর করা যায়৷ মাঝরাস্তায় বিকল হয়ে যায় না৷ একশ' শতাংশ আস্থা করা যায়৷''

অটো বক কোম্পানি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রস্তুত করে৷ প্রত্যেকটি আলাদা করে ব্যবহারকারীর বিশেষ প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি করা হয়৷ ফলে তাঁরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়