1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ‘বিব্রত’ বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বাড়ি তাঁর৷ বিদেশেও গিয়েছেন বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাঁর সাফল্য এখন সাড়া বিশ্বে আলোচিত৷ কিন্তু তারপরও খানিকটা ‘বিব্রত’ ড. শুভ রায়৷

default

আসল কিডনির মতই কাজ করতে সক্ষম শুভ’র কৃত্রিম কিডনি (ফাইল ফটো)

কিছুদিন আগে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে ব্যাপক হৈচৈ ফেলে দেন শুভ৷ কফি কাপের আকারের এই কৃত্রিম কিডনি আসল অঙ্গের মতই কাজ করতে সক্ষম৷ অর্থাৎ রক্তের বিষাক্ত পদার্থ ছাঁকা থেকে শুরু করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ভিটামিন ডি তৈরি পর্যন্ত -- সব কাজই করতে পারবে এই কৃত্রিম কিডনি৷

ইতিমধ্যে ছোট ছোট প্রাণীর উপর এই কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছেন ড. শুভ৷ তিনি আশা করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই কিডনি মানবদেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে৷ তবে এজন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি দরকার৷ আপাতত সেই অনুমতির অপেক্ষায় আছেন শুভ'র দল৷

এই প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে শুভ জানান, ১০ বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন সহকর্মীকে নিয়ে কৃত্রিম কিডনি তৈরির কাজ শুরু করেন তাঁরা৷ এই প্রকল্প সফল হলে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় কিডনির চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

শুভ'র এই সাফল্যের খবর ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ‘টেকনোলজি রিভিউ'-তে ছাপা হয়েছে৷ এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে এই খবর ফলাও করে প্রচার হয়৷ কিন্তু কিছু গণমাধ্যমে শুভকে ‘ভারতীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিক' উল্লেখ করায় খানিকটা ‘বিব্রত' তিনি৷

দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকাকে শুভ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ছেলে৷ বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে গেছি৷ আমাকে কেন ভারতীয় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, এই নিয়ে আমি বিব্রত৷'

উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৯ সালের ১০ নভেম্বর চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শুভ৷ তাঁর বাবা ডা. অশোক নাথ রায় চট্টগ্রামের আশকারদিঘির উত্তর পাড়ের মাউন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক৷ মা রত্না রায় গৃহিণী৷ উচ্চ শিক্ষার জন্য অ্যামেরিকা পাড়ি দিয়েছিলেন শুভ৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম