1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইউরোপ

‘কূটনীতি কাকে বলে ডাচদের শিখিয়ে দেব'

নেদারল্যান্ডসের ‘দেখে নেবেন' বলে হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী৷ জার্মানির পর সে দেশকেও নাৎসি ও ফ্যাসিস্ট তকমা দিয়েছেন তিনি৷ গোটা ইউরোপে তুর্কি মন্ত্রীদের নির্বাচনি প্রচার নিয়ে বিতর্ক চলছে৷

ন্যাটোর এক সদস্য দেশ অন্য এক সদস্য দেশের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানোর ডাক দিচ্ছে, এমনটা সত্যি অভূতপূর্ব ঘটনা৷ কিন্তু তুরস্ক নেদারল্যান্ডসের উপর চারিদিক থেকে চাপ বাড়াতে এমনটাই করছে৷ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান এই মুহূর্তে পশ্চিম ইউরোপের একাধিক দেশের প্রতি ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন৷ কারণ তাঁর মন্ত্রীরা সে সব দেশে বসবাসরত তুর্কি নাগরিকদের সামনে আসন্ন গণভোটের প্রচার করতে গিয়ে বার বার বাধার মুখে পড়ছেন৷ কখনো নানা সাংগঠনিক, নিরাপত্তাজনিত বা প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে প্রচারসভা বাতিল করা হচ্ছে, কখনো কূটনৈতিক পথে মন্ত্রীদের সফর কঠিন করে তোলার চেষ্টা হচ্ছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

তবে সপ্তাহান্তে নেদারল্যান্ডসে যা ঘটলো, তা বাকি ঘটনাগুলিকে ম্লান করে দেয়৷ তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভল্যুট চাভুশোলু রটারডাম শহরে একটি জনসমাবেশে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁর বিমান অবতরণেরই অনুমতি পায়নি৷ আরেক মন্ত্রী জার্মানি থেকে স্থলপথে নেদারল্যান্ডসে প্রবেশ করেছিলেন৷ কিন্তু সে দেশের পুলিশ তাঁকে আবার জার্মানি সীমান্তে ফেরত পাঠিয়ে দেয়৷ উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডসে আগামী বুধবার সাধারণ নির্বাচন৷ বিষয়টি ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ চরম দক্ষিণপন্থি প্রার্থী গেয়ার্ট (বানানভেদে খেয়ার্ট) ভিল্ডার্স তুরস্কের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন৷ এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সরকারও অস্বাভাবিক কড়া অবস্থান নিতে কতকটা বাধ্য হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন৷

অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও তুর্কি মন্ত্রীদের বেশ কয়েকটি নির্বাচনি প্রচারসভা বাতিল করা হয়েছে৷ সুইজারল্যান্ডের পুলিশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে৷ অস্ট্রিয়ায় বই প্রকাশের অনুষ্ঠানের আড়ালে রাজনৈতিক মঞ্চের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ বাতিল করে দিয়েছে৷ তবে ফ্রান্সের মেৎস শহরে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাভুশোলু এক জনসভায় ভাষণ দিতে পেরেছেন৷ ডেনমার্ক তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর সফর পিছিয়ে দিয়েছে৷

সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্ট পদের হাতে আরও ক্ষমতা তুলে দিতে বদ্ধপরিকর এর্দোয়ান৷ এই প্রশ্নে আগামী ১৬ই এপ্রিল গণভোট অনুষ্ঠিত হবে৷ বিশেষ করে বিদেশে বসবাসরত সব তুর্কি ভোটারদের মন জয় করতে তিনি কোনো কার্পণ্য করছেন না৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ একাধিক মহল এর্দোয়ানের প্রয়াসকে গণতন্ত্র-বিরোধী হিসেবে সমালোচনা করে চলেছে৷ তবে ইউরোপে তুরস্কের মন্ত্রীদের রাজনৈতিক জনসভা মত প্রকাশের অধিকারের আওতায় পড়ে কিনা, তা নিয়ে ইইউ-র মধ্যেও কম বিতর্ক চলছে না৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়