1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

কুস্তি লড়বে ব্রিটিশরা

কাবাডির পর এবার কুস্তি৷ বেশ কিছুদিন হলো কাবাডি খেলছেন ব্রিটিশরা৷ এবার তাঁরা লড়বেন ভারতীয় উপমহাদেশের কুস্তি৷ এ মাসের শেষে হবে কুস্তি প্রতিযোগিতা৷ চলছে প্রস্তুতি৷

default

কাবাডি খেলার সঙ্গে উপমহাদেশের সকলেই বেশ পরিচিত৷ বাংলাদেশের জাতীয় খেলা এটি৷ ইতিমধ্যেই এই খেলাটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে পশ্চিমে, বিশেষ করে ব্রিটিশ সেনা ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে৷ সকাল সন্ধ্যা নিয়মিত উপমহাদেশের এই খেলা খেলে থাকেন সেই সকল বাহিনীর সদস্যরা৷

হা ডু ডু বা কাবাডি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় খেলা৷ বর্তমানে কাবাডি আন্তর্জাতিক আসরগুলোতেও হচ্ছে এই খেলা৷ সাধারণত কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সব ধরনের মানুষরা খেলে থাকে এটি৷ এশিয়ায় এই খেলার জন্য আছে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন৷ যেটি গঠিত হয় ১৯৭৮ সালে৷ ১৯৮০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতায় প্রথম এশিয়ান কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ এভাবে আস্তে আস্তে কাবাডি খেলা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে৷

কাবাডির মতো আরেকটি জনপ্রিয় খেলা ভারতীয় কুস্তি৷ বাংলা-ভারতের মাটি ছেড়ে এবার এটি পৌঁছালো বিলেতের মাটিতে৷ উত্তর ইংল্যান্ডে এবার অপেশাদার খেলোয়াড়রা লড়বেন কুস্তিতে৷ এখন চলছে সেই আয়োজন৷ তাই কুস্তিগীররা নিজেদের শরীরে তেল মেখে, খেয়ে-দেয়ে আর দিনরাত কসরৎ করে যাচ্ছেন৷ কারণ আগামী ২২ ফ্রেব্রুয়ারি এই কুস্তি প্রতিযোগিতা৷ এ নিয়ে সেখানকার ওল্ডহাম শহরে রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷

নানু মিয়া নামের এক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক এই আসরের উদ্যোক্তা৷ তিনি বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, স্থানীয় তাজ প্যালেসে এই কুস্তির আয়োজন করা হয়েছে৷ তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশের বিশেষ ধরণের এই কুস্তির কথা হয়তো অনেকেই জানে না৷ বিলেতে তাই আয়োজন করা হচ্ছে অপেশাদার কুস্তিগীরদের এই প্রতিযোগিতা৷ এই প্রতিযোগিতার টিকেট বিক্রি থেকে যে আয় হবে তা যাবে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য তৈরি একটি তহবিলে৷

আট জন মল্লবীর এই কুস্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন৷ সবাইকে লড়তে হবে সবার সঙ্গে৷ পরে শেষ পর্যায়ে লড়াই এ যিনি টিঁকে থাকবেন তিনিই হবেন চ্যাম্পিয়ন৷ নানু মিয়া জানালেন, এবার থেকে প্রতি বছর নিয়মিত আয়োজিত হবে এই কুস্তি প্রতিযোগিতা৷ তাঁর দাবি, খুব শিগগিরই ব্রিটেনেও বেশ জনপ্রিয়তা পাবে এই খেলা৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা:অরুণ শঙ্কর চৌধুরী