1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পুনরএকত্রিত জার্মানি

কুড়ি বছর পর দুই জার্মানির টিন এজাররা

সাবেক পূর্ব জার্মানির শহর ফ্রাঙ্কফুর্ট আন ডেয়ার ওডার৷ এ শহরের টিন এজারদের কাছে জার্মানি একটিই৷ কেমন ছিল দুই জার্মানি? এ সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই৷ তাই কোন পার্থক্যও তাদের চোখে ধরা পড়ে না৷

default

ফ্রাঙ্কফুর্ট আন ডেয়ার ওডার শহরটি একেবারে পোল্যান্ডের সীমান্তে অবস্থিত৷ এই শহরে বেকারত্বের হার অত্যন্ত বেশি৷ সাবেক পূর্ব জার্মানি নিয়ে যখনই কোন লেখালিখি করা হয়, সবার আগে আসে এই ‘বেকারত্ব'র কথা৷ কথাগুলো জানায় ১৭ বছর বয়সী স্কুল ছাত্র ফ্লোরিয়ান৷ সে আরো বলল, ‘পূর্ব জার্মানির মানুষরা দরিদ্র, কট্টরপন্থী, বেকার – এছাড়া আর কিছুই শোনা যায় না৷'

ফ্লোরিয়ানের দুই বন্ধু কাটি আর ইয়র্ন৷ সবাই এক স্কুলেই পড়ছে৷ সবাই নিজের শহরটিকে পছন্দ করে, ভালবাসে৷ তাই এই শহর নিয়ে নেতিবাচক কোন বক্তব্য বা মন্তব্য তাদের মেনে নিতে কষ্ট হয়৷

Diana Cozea Flash-Galerie

কুড়ি বছর পর দুই জার্মানির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পার্থক্য এখনো যথেষ্ট বেশি (ফাইল ফটো)

তবে একটি কথা সত্যি৷ গত ২০ বছরে শহরের জনসংখ্যা কমে গেছে অনেক৷ ফ্রাঙ্কফুর্ট আন ডেয়ার ওডার শহরের তরুণ প্রজন্মকে যদি দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে সবাই, সাবেক পশ্চিম জার্মানির সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থার কথা বলবে৷ অনেক আগে থেকেই কাজের জন্য, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলই তাদের জন্য আদর্শ জায়গা৷

বর্তমানে সাবেক পূর্ব জার্মানিতে বেকারত্বের হার প্রায় ১১.৫ শতাংশ – যা পশ্চিম জার্মানির প্রায় দ্বিগুণ৷ ১৯৯০ সালে ফ্রাঙ্কফুর্ট আন ডেয়ার ওডার শহরে বসবাস করতো প্রায় আটাশি হাজার মানুষ৷ দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণের পর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পাড়ি দিয়েছে পশ্চিমাঞ্চলে৷ ফ্লোরিয়ান ‘অটোমোটিভ' বা যানবাহন তৈরির বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়৷ কিন্তু সাবেক পূর্ব জার্মানিতে এ ধরণের বিষয় নিয়ে পড়ার কোন সুযোগ নেই৷ ফ্লোরিয়ানকে আসতে হবে পশ্চিমে৷ কিন্তু সে নিজের শহর ছেড়ে খুব বেশি দূরে যেতে আগ্রহী নয়৷

কুড়ি বছর পর দুই জার্মানির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পার্থক্য এখনো যথেষ্ট বেশি৷ কারণ পূর্বের সবার মধ্যেই ‘এক ধরণের দেয়াল রয়েছে' – কোন না কোনভাবে এই মনোভাব পশ্চিমের তরুণ প্রজন্মের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে৷

গণতন্ত্রের বিভিন্ন প্রশ্নেও সাবেক পূর্ব জার্মানির ছেলে-মেয়েদের কাছ থেকে তেমন কোন উত্তর পাওয়া যায় না৷ কারণ, গণতন্ত্রের প্রশ্নে সাবেক পূর্ব জার্মানি পশ্চিম থেকে অনেক পিছিয়ে৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন