1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কাফকার অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি বেরোবে ব্যাঙ্কের ভল্ট থেকে

ফ্রাঞ্জ কাফকা৷ বিশ্বসাহিত্যের এক অমৃতসন্তান৷ দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে আজ মঙ্গলবার তাঁর অপ্রকাশিত রচনাবলী, আঁকা ছবি খোলা হবে৷ ব্যাঙ্কের ভল্টে এতবছর যা গচ্ছিত ছিল৷

কাফকা,বিশ্বসাহিত্য,রচনাবলী,অপ্রকাশিত,ভল্ট,মনোজগত,পাণ্ডুলিপি,উপন্যাস,ইসরায়েল,Kafka,metamorfosis,Israel,Jews,Bank, Vault,death,1924,Germany,Literature,Manuscript,Report,লেখক,মৃত্যু,সাহিত্যপ্রতিভা

ফ্রাঞ্জ কাফকা

১৯২৪ সালে যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর৷ বয়স ছিল তখন মাত্র ৪০৷ কাফকা কিন্তু বিশ্বসাহিত্যে এক অমর নাম হিসেবেই সমাদৃত তাঁর জীবদ্দশা থেকেই৷ কাফকা সাহিত্যে এক বড়মাপের পরিবর্তন এনেছিলেন৷ মনোজগতের আশ্চর্য বিশ্লেষণ থাকত তাঁর সাহিত্যে৷ যদিও নিজের লেখা প্রকাশ করতে আপত্তি ছিল তাঁর নিজেরই৷ মৃত্যুশয্যায় ঘনিষ্ঠ বন্ধু ম্যাক্স ব্রডকে তিনি বলেছিলেন, তাঁর যাবতীয় পাণ্ডুলিপি পুড়িয়ে ফেলতে৷ কিন্তু ব্রড কাফকার কথা শোনেন নি৷ তাঁর উপন্যাস প্রকাশ করেছিলেন৷ আর বাকি পাণ্ডুলিপি ব্রড নিয়ে যান ইসরায়েলে৷ দিয়ে যান তাঁর সেক্রেটারি এস্থার হফের হাতে৷ পরবর্তীতে এস্থার সেই মূল্যবান পাণ্ডুলিপি তুলে দেন তাঁর দুই কন্যার হাতে৷

সেই দুই কন্যা এরপর কাফকার অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপিগুলি বিক্রি করতে উদ্যোগী

Franz Kafka neue Statue in Prag

চেক রাজধানী প্রাগ-এ কাফকার মূর্তি৷ এই শহরেই বাস করতেন কাফকা৷

হন৷ তখনই আসরে নেমে পড়ে ইসরায়েল৷ তাদের দাবি, কাফকা ছিলেন ইহুদি৷ অতএব তাঁর পাণ্ডুলিপি ইসরায়েলের জাতীয় সম্পত্তি৷ আদালতে গড়ায় মালিকানা নিয়ে মামলা৷ পাণ্ডুলিপিগুলি গচ্ছিত হয় জুরিখ আর তেল আভিভের ব্যাঙ্কের ভল্টে৷

সেই মালিকানার দাবি নিয়ে মামলাতেই অবশেষে তেল আভিভ আদালতের সিদ্ধান্ত, এবার খোলা হবে জুরিখের চারটি ভল্ট৷ এক কাফকা বিশেষজ্ঞের ওপর দায়িত্ব পড়েছে পাণ্ডুলিপিগুলি খতিয়ে দেখে তার তালিকা প্রস্তুত করে আদালতকে রিপোর্ট করতে৷ আজ মঙ্গলবার সেই ভল্ট খোলার দিন৷ গোটা বিশ্বের সাহিত্যমহল জানতে আগ্রহী, কী রয়েছে ‘মেটামরফসিস'-এর লেখক কাফকার অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপিতে৷ জার্মানির সাহিত্য সংগ্রহশালা ইতিমধ্যেই এই পাণ্ডুলিপিগুলি কিনে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে৷

কিন্তু এত সহজ হবে না সেই ঘটনা৷ আইনের মারপ্যাঁচে কাফকার অপ্রকাশিত রচনা যে কী তা জানা যাবে না এখনই৷ ধৈর্য ধরতে হবে আরও কতদিন যে, তা বলাও মুশকিল৷ সুতরাং মৃত্যুর ৮৬ বছর পরেও কাফকার শেষ ইচ্ছেই যেন এক অর্থে বাস্তবায়িত হয়ে চলেছে৷

নিজের রচনার কথা কাফকা যে জানাতে চাইতেন না কাউকেই!

প্রতিবেদন : সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা : হোসাইন আব্দুল হাই