1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘কান্ট্রি’-পপ গায়িকা শানাইয়া টোয়েনের নতুন বছর, নতুন জীবন

নববর্ষের দিন বিয়ে করলেন; আত্মজীবনী লিখছেন; টক শো কুইন অপ্রা উইনফ্রে’র নিজস্ব ‘ওউন’ কেবল নেটওয়ার্কে ‘‘হোয়াই নট?’’ বলে একটি শো করবেন শানাইয়া৷ পাঁচবার গ্র্যামি জেতা ৪৫ বছর বয়সি এই ডিভা’র জীবন এখন পরিপূর্ণ৷

‘কান্ট্রি’, পপ, গায়িকা, শানাইয়া, টোয়েন, নতুন, বছর, নতুন, জীবন, ২০১১, সংগীত, ক্যানাডা, ভারত, শিল্পী,

শানাইয়া টোয়েন

বিয়েটাও যেন শানাইয়া'র কোনো কান্ট্রি গান থেকে নেওয়া৷ মিউজিক প্রোডিউসার রবার্ট লাঙ্গে'র সঙ্গে শানাইয়া'র ১৪ বছরের বিয়ের অন্ত ঘটে শানাইয়া'র প্রাণের বন্ধু মারি-আন থিবো'র কারণে৷ রবার্ট এবং মারি-আন পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট এবং পরে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন৷ ফলে বছর আড়াই আগে রবার্ট শানাইয়া'কে ছেড়ে মারি-আন'এর কাছে যান৷

ওদিকে মারি-আন'এর স্বামী ফ্রেদ্রিক থিবো'রও তখন অনেকটা শানাইয়া'র মতো অবস্থা - তিনিও ভগ্নহৃদয়৷ কাজেই পরস্পরকে সান্ত্বনা দেওয়া থেকেই জন্ম নেয় প্রেম৷ সেটা ২০০৮ সালের ঘটনা৷ ২০১১-র নববর্ষের দিনে শানাইয়া এবং ফ্রেদ্রিক বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়লেন ক্যারিবিয়ানের পুয়ের্তো রিকো'য়, জনা চল্লিশেক বাছা-বাছা অতিথির উপস্থিতিতে৷ ও হ্যাঁ, ফ্রেদ্রিকের বয়স এখন ৪০ এবং তিনি নেসলে কোম্পানির বড় চাকুরে৷

ওদিকে শানাইয়া তাঁর মেমোয়ার বা স্মৃতিকথা প্রকাশ করতে চলেছেন ২০১১ সালের প্রথমার্ধেই, অন্তত তাঁর প্রকাশক সাইমন এ্যান্ড শুস্টার'এর তা'ই খবর৷ তা'তে নাকি শানাইয়া তাঁর কষ্টের শৈশব এবং কান্ট্রি মিউজিকের পুরুষ-অধ্যুষিত ইন্ডাস্ট্রি'তে তাঁর নিজের জায়গা করে নেওয়ার সংগ্রামের কথা বলবেন৷ বলা দরকার, শানাইয়া'র জন্ম ক্যানাডায়৷ ১৯৮৭ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তাঁর বাবা-মা দু'জনেই মারা যান৷ তখন শানাইয়া'কে তাঁর তিনটি ছোট ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব নিতে হয়৷

শানাইয়া ২০০২ সালের পরে আর কোনো অ্যালবাম রিলিজ করেননি৷ তিনি নাকি তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং গান গাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন, বলেছেন শানাইয়া৷ অপ্রা উইফ্রে'র নেটওয়ার্কে শানাইয়া'র শো'র উপজীব্য হবে এমন সব মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার, যাঁদের ‘‘সুবৃহৎ মানসিক সংকট, গভীর জীবনসংগ্রামের'' অভিজ্ঞতা আছে৷ তবে কি সমব্যথীদেরই খুঁজছেন শানাইয়া?

না৷ গত ডিসেম্বরেই তাঁর ফ্যানদের জানিয়েছিলেন শানাইয়া: ‘‘আ'য়্যাম ইন লাভ!'' ‘‘একটি আশ্চর্য প্রেম যা মহামূল্যবান বন্ধুত্বে প্রস্ফুটিত হয়েছে৷''

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়