1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

কাদের মোল্লার আপিল শুনানি এই সপ্তাহে শেষ হবে

যুদ্ধাপরাধীদের দণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে৷ বিশেষ করে শহীদ পরিবারের সদস্যরা চান এই সরকারের আমলেই যেন দণ্ড কার্যকর করা হয়৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার জানিয়েছেন তাঁর সরকারের মেয়াদকালেই সেটা হবে৷

আর ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান আপিল আদালতে থাকা তিনটি মামলার নিষ্পত্তি হতে খুব বেশি সময় লাগবেনা৷

মানবতা বিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এপর্যন্ত ছয়টি মামলার রায় দিয়েছে৷ এই রায়ে জামায়াতের সাবেক নেতা মাওলানা আবুল কালাম আযাদের ফাঁসি, জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসি, কামারুজ্জানের ফাঁসি, গোলাম আযমের ৯০ বছরের জেল এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়েছে৷ এর মধ্যে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং কামারুজ্জানের দণ্ড নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল হয়েছে৷

ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র এবং আসামি উভয় পক্ষই আপিল করেছে৷ সেই আপিলের শুনানি এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন৷ আর বাকি দু'টি আপিলের শুনানিও শেষ হতে বেশি সময় লাগবেনা৷ তিনি জানান আপিল শুনানির ৬০ দিনের যে সময়সীমা রয়েছে তা বাধ্যতামূলক নয়, নির্দেশনামূলক৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত তার বিবেচনা থেকেই আপিল শুনানি শেষ করে রায় দেবেন৷

তিনি বলেন ফাঁসি ছাড়া কাদের মোল্লা এবং গোলাম আযমের কারাদণ্ড কার্যকর শুরু হয়ে গেছে৷ এটাই আইনের নিয়ম৷ আর আপিলে রায়ে কোনো পরিবর্তন আসলে তখন সেটা কার্যকর হবে৷ তিনি জানান যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল হাইকোর্টের সমান মর্যাদা সম্পন্ন৷ তাই আপিল আদালত একটিই - সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ৷ তাদের রায়ের পর আর কোনো আপিলের সুযোগ নেই৷

এদিকে গণজাগরণ মঞ্চ গোলাম আযমের ৯০ বছর কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য শনিবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে স্মারক লিপি দিয়েছে৷ অ্যাটর্নি জেনারেল দেশের বাইরে থাকায় স্মারক লিপি গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান৷ তিনি জানান, গণজাগরণ মঞ্চের আপিলের কোনো সুযোগ নেই৷ আপিল করতে পারে সরকার, অভিযোগকারী অথবা তথ্য দাতা৷ তবে তিনি বলেন গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে চিন্তা করা হচ্ছে৷

এই সরকারের মেয়াদ কালেই রায় কার্যকর হবে এমন কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ আর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন রায় কার্যকর হবে ঈদের পরে৷ এবিষয়ে এম কে রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, ট্রাইব্যুনালে আরো মামলা আছে৷ আর এখন আপিল বিভাগে তিনটি মামলা আছে৷ মামলার যা গতি-প্রকৃতি তাতে কয়েকটি মামলার দণ্ড এই সরকারের আমলেই কার্যকর হতে পারে৷ আর একটি মামলার আপিল শুনানি প্রায় শেষ৷ তাই হয়তো সেই বিবেচনায় ঈদের পরে একটি মামলার রায় কার্যকর হওয়ার কথা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়