1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

কাতালোনিয়ায় গণভোট, পুলিশের বাধা

কাতালোনিয়ায় গণভোটে বাধা দিচ্ছে পুলিশ৷ ইতোমধ্যে বেশ কিছু ব্যালোট বাক্স বাতিল করেছে নিরাপত্তা বাহিনী৷ এদিকে, কাতালান কর্তৃপক্ষ ভোটারদের যে কোনো ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে৷

বিতর্কিত গণভোট নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে কাতালোনিয়ায়৷ স্পেন সরকার এই গণভোটকে ‘অবৈধ' আখ্যা দিলেও রবিবার তা আয়োজন করে কাতোলোনিয়ার স্বাধীনতাকামীরা৷ ফলে একাধিক ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে ভোটারদের ধস্তাধস্তির খবর পাওয়া গেছে৷ কাতালান শহর গিরোনাতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নেতা কার্লেস পুইগডেমন্ট রবিবার একটি কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়৷

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, ঢাল এবং হেলমেটওয়ালা পুলিশ জোর করে সান্ট খুলিয়া দে রামিস ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে৷ এ সময় তারা উপস্থিতি জনতার উপরে লাঠিচার্জ করে এবং একটি কাঁচের দরজা ভেঙে ফেলে। তবে সেই ঘটনার হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি৷ পুইগডেমন্ট সেই কেন্দ্রে ভোট দিতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তীতে অন্য একটি কেন্দ্রে গিয়ে গণভোটে অংশ নেন৷

স্প্যানিশ পত্রিকা এল পাইস জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে ভোটারদের ধস্তাধস্তির ঘটনার সে অঞ্চলের রাজধানী বার্সেলোনাতেও ঘটেছে৷ আর স্পেন সরকারের কাতালোনিয়া বিষয়ক ডেলিগেট এনরিক মিলো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ‘অবৈধ' গণভোট বন্ধে পুলিশের অভিযানের দরকার ছিল৷ তবে পুলিশ শুধুমাত্র নির্বাচনি সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছে বলেও জানান তিনি৷

মিলো বলেন, ‘‘আমরা এমন কিছু করতে বাধ্য হয়েছি যা আসলে করতে চাইনি৷'' 

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যালোট বাক্স এবং পেপার বাজেয়াপ্ত করতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে পুলিশ এবং সিভিল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে৷ চারটি প্লাস্টিকের ব্যালোট বাক্স এবং পেপার ছবি টুইটারে প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে লেখা হয়েছে, ‘‘পুলিশ বার্সেলোনা থেকে এগুলো প্রথমে বাজেয়াপ্ত করেছে৷ কাতালোনিয়ায় তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে৷''

প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাতে কাতালোনিয়ার অনেক এলাকায় কাতালান সরকারের সিলযুক্ত ব্যালোট পেপার এবং বাক্স পৌঁছে দেয় স্বাধীনতাকামীরা৷ যদিও সেদেশের সরকার আগেই দাবি করেছিল যে, ‘অবৈধ' গণভোট বন্ধে সক্ষম হয়েছে তারা৷

কাতালান স্বাধীনতার পক্ষের অনেকে রাতভর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করে সকালে ন'টায় ভোটকেন্দ্র খুলে দেয়৷ অন্তত ১৬৩টি স্কুলে এরকম ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়৷ কোনো কোনো ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোর পাঁচটা থেকেই হাজার হাজার ভোটারকে জড়ো হতে দেখা যায়৷

উল্লেখ্য, কাতালোনিয়ার অনেক মানুষ স্বাধীনতা দাবি করে আসলেও স্পেন সরকার তা আমলে নিচ্ছে না৷ আন্তর্জাতিক সমাজ এটাকে স্পেনের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে৷ ফলে স্বাধীনতাকামীদের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন তেমন একটা নেই৷

এআই/ডিজি (এএফপি, এপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন