1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মধ্যপ্রাচ্য

কাতার সংকট: আল-জাজিরা বন্ধে সময়সীমা নির্ধারণ

কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারী সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলো ঐ অঞ্চলের কূটনৈতিক সংকট নিরসনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশটিকে কিছু দাবি পূরণের শর্ত জুড়ে দিয়েছে৷ এর মধ্যে অন্যতম আল-জাজিরা চ্যানেল বন্ধ করা৷

‘সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা' অভিযোগে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা পাঁচ আরব দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মিশর ও বাহরাইন সংকট সমাধানে তাদের ১৩টি দাবির একটি তালিকা দোহায় পাঠিয়েছে৷ দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কাতারকে ১০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে৷ সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, দাবির অন্যতম হলো আল-জাজিরা চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া এবং ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস করা৷ কুয়েতের মাধ্যমে এই দাবি-দাওয়াগুলো জানানো হয়েছে৷ কুয়েত দেশগুলোর মধ্যে সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা করছে৷ ১৯৯১ সালে ইরাক যুদ্ধের পর এই প্রথম বড় ধরনের কূটনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে কাতারকে৷

দাবি দাওয়ার মধ্যে রয়েছে কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়া এবং দেশটিতে অবস্থান করা ওই পাঁচ দেশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের হস্তান্তর৷ তবে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করবে না, কেননা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য সেখানে সেনা ঘাঁটি অত্যাবশ্যকীয়৷ এ ছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলো সম্পর্ক ছিন্নের পর থেকে তুরস্ক কাতারে রপ্তানির পরিমাণ তিনগুণ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রী৷

ইসলামিক স্টেট (আইএস), আল কায়েদা, মুসলিম ব্রাদারহুডসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে ‘মদদ দিচ্ছে' এই অভিযোগ তুলে গত ৫ জুন প্রতিবেশী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইয়েমেন ও মিশর কাতারের সঙ্গেসম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেয়৷ সেইসঙ্গে কাতারের সব নাগরিকের দেশ ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়৷ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ওই পাঁচ দেশ থেকে এই ঘোষণা আসে৷

এদিকে প্রতিবেশীদের অভিযোগ অস্বীকার করে কাতার এই সিদ্ধান্ত ‘দুঃখজনক ও ভিত্তিহীন' বলে দাবি করে আসছে৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়