1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

কাতারে শীতকালে বিশ্বকাপ চায় না ইউরোপ

গরমের কারণে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর পিছিয়ে নভেম্বর-ডিসেম্বরে নিয়ে গেলে ইউরোপে জাতীয় প্রতিযোগিতা ও লিগ-এর বিপুল বাণিজ্যিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে ইপিএফএল৷ এদিকে কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের অবস্থার সমালোচনা বাড়ছে৷

একটা সময় ছিল, যখন খেলাধুলোর নির্দিষ্ট সময় ছিল৷ গ্রীষ্মকালে ফুটবল, শীতকালে ক্রিকেট৷ আজ সারা বছর ধরেই চলছে নানা স্তরের নানা টুর্নামেন্ট, লিগ, প্রতিযোগিতা৷ অনেক ইভেন্টের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কোটি কোটি ডলারের বিনিয়োগ৷ একই খেলোয়াড় কখনো ক্লাবের হয়ে, কখনো বা নিজের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন৷ ফলে অঙ্কে গোলমাল হলেই মুশকিল৷

২০২২ সালে কাতারে ফুটবল বিশ্বকাপ আসর বসছে৷ সাধারণত উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মে, মানে জুন-জুলাই মাসে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়৷ কিন্তু সে সময় কাতারে যে মারাত্মক গরম পড়ে, তার ফলে খেলোয়াড়, দর্শক, কর্মকর্তা – কারো পক্ষেই খেলা উপভোগ করা সহজ নয়৷ ফলে কাতারের ক্ষেত্রে সময়টা পিছিয়ে শীতকালে নিয়ে যাওয়ার কথা চলছে৷ সে ক্ষেত্রে জুনের পরিবর্তে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বসতে পারে বিশ্বকাপের আসর৷ ফিফা-র প্রধান সেপ ব্লাটার এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন৷ আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি৷

WM Baustelle Katar

কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের অবস্থার সমালোচনা বাড়ছে

এই পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন ইউরোপের ফুটবল লিগ কর্মকর্তারা৷ পেশাদারি লিগগুলির কেন্দ্রীয় সংগঠন ইপিএফএল বলেছে, কাতারের প্রতিযোগিতার সময় বদলাবার সব ক'টি প্রস্তাবই জাতীয় প্রতিযোগিতা ও লিগ-গুলির ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করবে৷ তখন মরসুমের মাঝেই ৮ সপ্তাহের বাধ্যতামূলক বিরতি চলে আসবে৷

শুধু বিশ্বকাপের সময়সূচি নয়, আরও কিছু কারণে কাতারের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা চলছে৷ গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ কাতারের সমালোচনা করেছে৷ বিশ্বকাপের অবকাঠামো গড়ে তুলতে যে সব বিদেশি শ্রমিক কাজ করছে, তাদের করুণ অবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠছে৷ বিশেষ করে কাতারের ‘স্পনসরশিপ প্রোগ্রাম' যে ভাবে শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার হাতে তুলে দেয়, সেই ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার ডাক দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ৷ বিদেশি শ্রমিকদের নিপীড়নের বিষয়টি কাতারের ভাবমূর্তিতে বেশ আঘাত করছে৷

এসবি / জেডএইচ (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়