1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

কল সেন্টার ব্যবসায় শীর্ষে এখন ফিলিপাইন্স

কল সেন্টারের ব্যবসায় এতদিন শীর্ষে ছিল ভারত৷ তবে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ফিলিপাইন্স৷ ফিলিপাইন্সকে বলা বলা হচ্ছে কল সেন্টারের রাজধানী৷ ফিলিপাইন্সের সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে৷

default

কল সেন্টার ব্যবসায় ভারতের আধিপত্য আর থাকছে না (ফাইল ফটো)

কল সেন্টারের মাধ্যমে কী করা হয়? টেলিফোনে বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদান করা হয়৷ এছাড়া ব্যবহারযোগ্য কিছু কিনলে তার ব্যবহারবিধির সঙ্গে থাকে বিশেষ একটি ফোন নম্বর৷ সেখানে লেখা থাকে কোন সমস্যা হলে বা কোন কিছু না বুঝলে এই নম্বরে ফোন করলে সাহায্য পাওয়া যাবে৷ এই নম্বরটিই হল যে কোন কল সেন্টারের৷ প্রশ্ন-উত্তর পর্বও চলে কল সেন্টারে৷ পথ হারিয়ে ফেললে, একটি চিঠি আসার কথা - কিন্তু সেটা না এলে সোজা ফোন করা হয় কল সেন্টারে – এক কথায় কল সেন্টার হল এক ধরণের টেলি মার্কেটিং৷ ভারত এতদিন চুটিয়ে ব্যবসা করেছে কল সেন্টারের, এখনও করছে তবে বিশ্বের এক নম্বর স্থানটি আর ধরে রাখতে পারেনি৷ এক নম্বর স্থানটি চলে গেছে ফিলিপাইন্সের কাছে৷

ফিলিপাইন্সের প্রেসিডেন্ট বেনিনো আকিনো অত্যন্ত আনন্দিত যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এই কল সেন্টার ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে রয়েছে এবং সেটি তাঁর নিজেরই দেশ৷

২০০১ সালে ফিলিপাইন্সে কল সেন্টারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত হয়৷ খুব ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ব্যবসা৷ দশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে যায় ফিলিপাইন্সের কল সেন্টারের ব্যবসা৷

গত সপ্তাহে আইবিএম-এর একটি সেন্টার উদ্বোধনের সময় প্রেসিডেন্ট আকিনো আশ্বাস প্রদান করে বলেন, আমরা আশা করছি আগামী বছর প্রায় ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ডলার মুনফা করতে সক্ষম হবে ফিলিপাইন্স৷ এবং ২০২০ সালের মধ্যে তা বছরে একশো বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে৷

ফিলিপাইন্সের প্রযুক্তি কমিশনের প্রধান ইভান উই জানান, গত বছর বিভিন্ন কল সেন্টার থেকে ভারতের মুনাফা ছিল ৫.৩ বিলিয়ন ডলার আর ফিলিপাইন্সের মুনাফা ছিল ৫.৫ বিলিয়ন ডলার৷

ফিলিপাইন্সের কনটাক্ট সেন্টার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বেনেডিক্ট হেরনানডেস জানান, ফিলিপাইন্সে প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ কল সেন্টারে কাজ করছে৷ ভারতে কাজ করছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ৷ সেদিক থেকেও ফিলিপাইন্স এগিয়ে৷ এর মূল কারণ হল ইংরেজি ভাষার দক্ষতা৷ অর্থাৎ বাচনভঙ্গি এবং উচ্চারণে আঞ্চলিক টান তেমন না থাকায় ফিলিপাইন্স ভাষাগত দিক থেকে এগিয়ে গেছে বলে হেরনানডেস জানান৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন