1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

কর ফাঁকির জন্য কারাদণ্ডও হতে পারে হ্যোনেসের

জার্মান ফুটবলের কিংবদন্তি এবং বায়ার্ন মিউনিখ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট উলি হ্যোনেস বিদেশে টাকা রেখে কর ফাঁকি দিয়েছেন৷ সেই কর ফাঁকির পরিমাণ বাড়তে বাড়তে এবার দু’কোটি বাহাত্তর লক্ষ ইউরোয় পৌঁছেছে৷

খবরটা ফাঁস হয় ২০১৩ সালের সূচনায়, জানা যায়, উলি হ্যোনেস নাকি সুইস ব্যংক অ্যাকাউন্টে কালো টাকা রেখে থাকেন৷ খবরটা ফাঁস করেন এক হিসেবে হ্যোনেস নিজেই৷ জার্মান আইন অনুযায়ী, তিনি নিজের কর ফাঁকি দেওয়ার কথা জানান কর বিভাগকে৷ এর সুবিধা হলো, এর ফলে কর ফাঁকিদাতাকে জেলে যেতে হয় না, তিনি ‘প্রোবেশন'-এ মুক্ত থাকেন৷

হ্যোনেস সূচনায় জানিয়েছিলেন ৩৫ লাখ ইউরো কর ফাঁকি দেওয়ার কথা৷ কিন্তু আদালতে মামলা ওঠার পর গত সোমবার হ্যোনেসের তরফ থেকে আদালতকে জানানো হয়, হ্যোনেস ১ কোটি ৮৫ লাখ ইউরো কর ফাঁকি দিয়েছেন৷ শুনানির পরের দিন মঙ্গলবার সরকারি কৌঁসুলির অফিস থেকে অভিযোগ আনা হয় যে, হ্যোনেস তার চেয়েও বেশি, মোট ২ কোটি ৭২ লক্ষ ইউরো কর ফাঁকি দিয়েছেন৷

হ্যোনেসের উকিলরা কর ফাঁকির এই নতুন অঙ্কও মেনে নিয়েছেন, কেননা, সেটাই হলো তাঁদের ‘প্রতিরক্ষা নীতি'৷ হ্যোনেস নিজেই যেমন আদালতে বলেছেন, তিনি এবার সব কিছু খোলাসা করে খালাস হতে চান৷ মুশকিল এই যে, তাঁর এই নতুন স্বীকারোক্তি এক বছর আগেই আসতে পারতো, যখন প্রায় ৭০ হাজার পাতার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও হিসাবনিকাশ বা সেই সংক্রান্ত সিডি হ্যোনেস ও তাঁর কৌঁসুলিদের হাতে আসে৷

হ্যোনেস ও তাঁর উকিলরা আদালতের শুনানি শুরু হবার মাত্র দিন দুই আগে এই বিপুল পরিমাণ সাক্ষ্যপ্রমাণ ইউএসবি স্টিকে করে কর বিভাগকে দিয়েছেন৷ সেই নতুন তথ্য ঘেঁটেই কর ফাঁকি দেওয়ার নতুন পরিমাণ নির্দিষ্ট করেছে কর বিভাগ, যা সংশ্লিষ্ট কর আধিকারিক মঙ্গলবার আদালতে তাঁর জবানবন্দিতে জানিয়েছেন৷ কিন্তু এই নতুন তথ্য প্রকাশ করতে হ্যোনেসের এক বছরের বেশি সময় লাগল কেন তা এখনও জানা যায়নি৷ যে সম্ভাব্য ব্যাখ্যাটা ভেবে নেওয়া যেতে পারে, তাতে মাননীয় আদালতের হ্যোনেসের ‘‘সেলব্স্ট- আনসাইগে'' বা আত্ম-অভিযোগের আন্তরিকতা সম্পর্কে আরো সন্দিহান হয়ে ওঠার কথা৷

যার অর্থ দাঁড়াবে, হ্যোনেস যে কারাদণ্ড হলেও, প্রোবেশনে মুক্ত থাকার আশা করছেন, বৃহস্পতিবার আদালতের রায় ঠিক তার উল্টো হতে পারে, হ্যোনেসকে বাস্তবিক জেলেও যেতে হতে পারে৷৷

এসি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন