1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কর্মজীবী মায়ের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে

অনেক আন্দোলনই ঝিমিয়ে পড়ে, প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়৷ কিন্তু সেই ১৯৬০ সালে হয়ে যাওয়া নারী আন্দোলনের সুফল এখনো দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে৷ তা না হলে সে দেশে ৪০ ভাগ পরিবারের মা আয়-রোজগার করে চমকে দিতে পারেন!

পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে৷ ১৯৬০ সালে যে দেশে কর্মজীবী মা ছিল মাত্র শতকরা ১১ ভাগ, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৪০ ভাগ৷ মায়েদের এতটা এগিয়ে আসা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর৷ অবশ্য সাম্প্রতিক এই পরিবর্তনের পেছনে যে অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবও রয়েছে তা ভুলে গেলে চলবে না৷ এ কারণে গত কয়েক বছরে অনেক পেশাতেই উচ্চ বেতনের চাকরি হারিয়েছেন পুরুষরা৷ অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ পেয়েছেন মেয়েরা৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং প্রশাসনে মেয়েদের এগিয়ে আসা খুব চোখে পড়ার মতো৷ মেয়েদের মধ্যে মা-ই বেশি৷ মোট কর্মজীবী মহিলার ৬৫ ভাগই মা৷

Baby am Arbeitsplatz

১৯৬০ সালে যে দেশে কর্মজীবী মা ছিল মাত্র শতকরা ১১ ভাগ, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৪০ ভাগ (ফাইল ফটো)

উচ্চশিক্ষায় মেয়েরা আজকাল আগের তুলনায় অনেক বেশি আগ্রহী – এটাও কর্মজীবী মায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির বড় কারণ৷ যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ব্যাচেলর ডিগ্রি নেয়া শিক্ষার্থীদের শতকরা ৪৭ ভাগই মেয়ে৷

মায়েদের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে আসার এ কাহিনিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবার প্রথায় পরিবর্তনের অন্য একটি চিত্রও পরিষ্কার ফুটে উঠেছে৷ পিউ রিসার্চ সেন্টারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কর্মজীবী মায়েদের বেশির ভাগই ‘সিঙ্গেল মাদার'৷ তাদের সন্তানদের তাই বেড়ে উঠতে হচ্ছে পিতৃস্নেহ ছাড়া৷ তাতে সন্তানের দুর্ভাগ্যের পাশাপাশি নারীর সংগ্রামী মানসিকতাও প্রকাশিত৷ সেটা সন্দেহাতীতভাবেই প্রশংসনীয়৷ তবে মায়েদের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, পরিবারের চাহিদা পূরণের প্রয়োজনে রোজগেরে হওয়া সার্বিক অর্থে ভালো কিনা এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মনে সংশয় রয়েছে৷ মায়েদের অন্তঃপুরবাসিনী হয়েই থাকা উচিত – এমন ধারণার বিরোধিতা করেছেন ৬৭ ভাগ মানুষ৷ তবে তাঁদের মধ্যে মাত্র শতকরা ২১ জন কর্মজীবী মায়ের সংখ্যাবৃদ্ধিকে যে কোনো বিচারে ভালো বলেছেন৷ প্রতি চারজন প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে তিনজনই আবার মনে করেন মায়েরা কাজের জন্য ঘরের বাইরে থাকলে সন্তানের লালন-পালন যথাযথভাবে হয়না!

এসিবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন