1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

কর্নাটকে বিজেপি-কংগ্রেস কাজিয়া তুঙ্গে

কর্নাটকে বিজেপি সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিরোধী কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির কাজিয়া এখন রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত পৌঁছেছে৷ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য ১২১ জন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী আজ সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে৷

default

মুখ্যমন্ত্রী বি.এস ইয়েদুরাপ্পা ১২১ জন বিধায়ককে আজ রাষ্ট্রপতি প্রতিভা দেবী সিং পাটিলের সামনে হাজির করেন

কর্নাটকে বিজেপি সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই এই যুক্তিতে রাজ্যপাল এইচ.আর ভরদ্বাজ রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারির সুপারিশ করায় তাকে অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক অ্যাখ্যা দিয়ে আজ সংবাদ মাধ্যমের কাছে বিজেপি সভাপতি নীতিন গাডকড়ির অভিযোগ, রাজ্যপাল কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মরিয়া৷ উল্লেখ্য, ভরদ্বাজ প্রাক্তন কংগ্রেস মন্ত্রী৷ বিজেপি সভাপতি মনে করেন, তাঁর ১০১% বিশ্বাস কর্নাটকের বিজেপি সরকার তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবে৷

মুখ্যমন্ত্রী বি.এস ইয়েদুরাপ্পা ১২১ জন বিধায়ককে আজ রাষ্ট্রপতি প্রতিভা দেবী সিং পাটিলের সামনে হাজির করেন৷ ২২৫ জনের কর্নাটক বিধানসভায় বর্তমান হিসেবে বিজেপির সঙ্গে আছে ১০৮জন এমএলএ৷ গত বছর দলবিরোধীতার জন্য ১৬জন বিদ্রোহী বিজেপি এমএলএর বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওযায় বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়৷ এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস মুখপাত্র মনীশ তেওয়ারির বক্তব্য, সেই সময় থেকে বিজেপি এক অবৈধ সরকার চালাচ্ছে৷ মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার ক্ষমতায় থাকার কোন অধিকার নেই৷ সিপিএম মহাসচিব প্রকাশ কারাতের মতে, ১৬ জন বিধায়ক তাঁদের পদ হারানো সত্ত্বেও যেভাবে রাজনৈতিক খেলা চলছে তাতে ইয়েদুরাপ্পার উচিত ইস্তফা দেয়া৷

কিন্তু গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য তাঁদের বিধায়ক পদে পুনরায় বহাল করলে বিজেপি তাঁদের দলে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়৷ সংখ্যার হিসেবে বিধানসভায় কংগ্রেসের এখন আছে ৭০জন এবং জেডি (এস ) দলের ২৬জন বিধায়ক৷

এদিকে, রাজ্যপালের ইস্তফার দাবিতে আজ গোটা কর্নাটক রাজ্য জুড়ে চলে বিজেপি সমর্থকদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ, ধর্ণা এবং রাজ্যপালের কুশপুত্তলিকা দাহ৷ পাল্টা প্রতিবাদে কংগ্রেস সমর্থকরা রাজপথ অবরোধ করে মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা সরকারকে বরখাস্ত করার দাবিতে৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়