1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

করাচি শহরে এখনও উত্তেজনা কমেনি

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে এমপি হত্যার জের ধরে চলমান সহিংসতায় এই পর্যন্ত ৪৫ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে৷ শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে৷

default

করাচির রাস্তায় যানবাহনে আগুন (ফাইল ফটো)

আরও সহিংসতার আশঙ্কায় মঙ্গলবার করাচিতে নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ রাস্তাঘাট ছিল মূলত জনশূন্য৷ রাস্তায় ছিল পুলিশ ও বিশেষ কিছু এলাকায় আধাসামরিক বাহিনীর টহল৷ এরআগে বিক্ষুব্ধ মানুষ বেশ কিছু যানবাহন ও দোকানপাটে আগুন লাগানোর পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়৷ পরিস্থিতি হয়ে পড়ে থমথমে৷ মঙ্গলবার শহরের স্কুল, কলেজ ও দোকানপাট বন্ধ ছিল৷

সোমবার করাচিতে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট বাএমকিউএম-এর একজন সাংসদকেগুলি করে হত্যা করার পর, ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় এই পর্যন্ত ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে৷ মসজিদে এক নামাজে জানাজায় যোগ দেয়ার সময় এমপি রাজা হায়দার এবং তাঁর দেহরক্ষীকে মসজিদের বাইরে গুলি করে হত্যা করা হয়৷ এই ঘটনার পর শুরু হওয়া দাঙ্গায় এই পর্যন্ত ১২০ জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে৷

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপরতা চালিয়ে গেলেও শহরে অস্ত্রধারীদের ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে৷ ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমেনি৷ মঙ্গলবার সকালেও থেমেথেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে৷

এই হামলার জন্যে সরকার তালেবান এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপাহি-ই-সাবা পাকিস্তান গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে৷ সিন্ধু প্রদেশের মুখপাত্র জামিল সুমরো বলেছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তবে গ্রেপ্তারকৃতের সংখ্যা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে৷ করাচির পুলিশ প্রধান ওয়াসিম আহমেদ বলেছেন, এই পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

এদিকে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা এপিপি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি হত্যাকান্ডের নিন্দা করেছেন এবং সব দলের নেতাদের দায়িত্বপূর্ন আচরন করার জন্যে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় শান্ত থেকে সমর্থন দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন৷

এই হামলার মধ্যে দিয়ে করাচিতে জাতিগত সহিংসতার প্রকাশ ঘটলো নতুন করে৷ এদিকে রাজা হায়দারের শেষকৃত্যের প্রাক্কালে করাচিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

ইন্টারনেট লিংক