1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

করাচি বিমানবন্দরে তালেবানের হামলায় বহু হতাহত

পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরে বন্দুকযুদ্ধে ১০ বন্দুকধারীসহ কমপক্ষে ২৮ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে৷ নিরাপত্তা বাহিনী এবং তালেবান জঙ্গিদের মধ্যকার এই সংঘর্ষে পুরো বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়৷

default

বন্দুকযুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা

পাকিস্তানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, রবিবার মধ্যরাতের পর পুলিশের বেশে কয়েক জঙ্গি করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ করে৷ এরপর শুরু হয় ব্যাপক গুলিবর্ষণ এবং বোমার বিস্ফোরণ৷ বিমানবন্দরের ভেতরে আগুন জ্বলতে দেখা যায়৷

তবে মেজর জেনারেল রেজওয়ান আক্তার সোমবার ভোরে জানিয়েছেন, ‘‘বিমানবন্দর শত্রুমুক্ত করা হয়েছে৷ সব সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে৷'' আক্তারের নের্তৃত্বাধীন সেনারা পাঁচ ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন৷

পাকিস্তানের তালেবান ইতোমধ্যে বিমানবন্দরে হামলায় দায় স্বীকার করেছে৷ পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত সংলগ্ন উপজাতীয় এলাকায় পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর হামলার জবাবে এটা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তালেবান মুখপাত্র শহিদউদ্দিন শহিদ৷ তিনি বলেন, ‘‘এটা পাকিস্তান সরকারের কাছে একটা বার্তা যে আমরা এখনও বেঁচে আছি৷''

Flughafen Karachi

জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই হামলার ঘটনা ঘটে

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে উপজাতীয় এলাকায় পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর হামলায় একশো'র মতো ইসলামপন্থি জঙ্গি প্রাণ হারায়, যাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ তালেবান কমান্ডারও ছিল৷

এদিকে, জিন্নাহ মেডিকেল ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক সামি জামালি জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৩ সদস্য এবং ৫ বেসামরিক ব্যক্তি রয়েছে৷ এছাড়া গুলিবিদ্ধ ২৫ ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

করাচি বিমানবন্দর স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল নাগাদ পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন এক বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক কর্মকর্তা৷ পাকিস্তানের অন্য দুটি বিমানবন্দরে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে৷ তবে সেগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে৷

আক্তার জানান, জঙ্গিরা আত্মঘাতী বর্মের উপরে পুলিশের পোশাক পরে দু'টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করে৷ এরপর কার্গো টার্মিনালে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা৷ এদের মধ্যে সাতজন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়৷ বাকি তিনজন সেনাবেষ্টিত অবস্থায় শরীরে বাধা বোমায় বিস্ফোরণ ঘটায়৷

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে এরকম তালেবান হামলা নতুন নয়৷ তবে অতীতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ ২০১১ সালে করাচি নৌ-ঘাঁটিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ এতে প্রাণ হারায় দশজন ব্যক্তি৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়