1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কমিকসে যৌন দৃশ্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

জাপানের জনপ্রিয় হাস্যরসাত্মক নাট্য ধারা মাঙ্গা৷ তবে শুধু নাটকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি মাঙ্গা৷ এটি বিকশিত হয়েছে নানা গল্প, কৌতুক, উপন্যাস এবং ছবির ধারাতেও৷ তবে এবার মাঙ্গার উপর খড়্গ তুললেন টোকিও নগর পর্ষদের সভ্যরা৷

default

মাঙ্গা কমিকস এটুকুতে আপত্তি নেই (ফাইল ফটো)

জাপানের জনপ্রিয় মাঙ্গা কমিকস এবং অ্যানিমেটেড ছবিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বেশ কড়া মাত্রার যৌন চিত্র তুলে ধরার৷ জাপানের রাজধানী টোকিও'র নগর পর্ষদ তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ষণ, অশালীন যৌন দৃশ্য এবং যৌন অপরাধের চিত্রসম্বলিত মাঙ্গা চলতে দেওয়া যাবে না৷ এগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পেছনে কারণ হিসেবে জানা গেছে, এসব বই, ছবি এবং ভিডিও গেমসের অনেকক্ষেত্রেই দেখানো হয়েছে এমন সব যৌন সম্পর্কের দৃশ্য যা সামাজিকভাবে অবৈধ৷ যেমন যেসব নিকটাত্মীয়ের সাথে বিয়ে বৈধ নয় এমন ঘনিষ্ঠজনদের সাথেও যৌনতার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে অনেক জায়গায়৷

টোকিও মেট্রোপলিটন সরকারের সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়েসি ছেলে-মেয়েরা এই ধরণের বিভৎস যৌন দৃশ্যের ছবি সম্বলিত উপকরণ কিনতে কিংবা ধার নিতেও পারবে না৷ অবশ্য এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই কড়াকড়িভাবে বিধি-নিষেধ আরোপ করুক সেটিই চাচ্ছে নগর পর্ষদ৷ মূলত টোকিওর গভর্নর শিনতারো ইশিহারা দীর্ঘদিন ধরেই অরুচিকর যৌন দৃশ্য সম্বলিত মাঙ্গা এবং অ্যানিমেটেড ছবিগুলোর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন৷

এ বছরের শুরুতে এগুলোর উপর বিধি-নিষেধ আরোপে একটি বিল অনুমোদনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি৷ তবে টোকিও নগর পর্ষদের আসন্ন নির্বাচনের আগে বুধবার ১২৭ সদস্যের মধ্যে অধিকাংশের ভোটে অনুমোদিত হয় এ সংক্রান্ত বিল৷ আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে অশালীন নগ্নতা সম্বলিত কমিকস-এর উপর কড়াকড়ির বিধান৷

তবে এই কড়া আইনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রকাশনা সংস্থাগুলোর মালিকরা৷ এর প্রতিবাদ হিসেবে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য টোকিও আন্তর্জাতিক অ্যানিমেটেড ছবি উৎসব ২০১১ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে সেখানকার ১০ টি প্রধান প্রকাশনা সংস্থা৷ প্রকাশক এবং কার্টুনিস্টদের দাবি, এই বিলের মাধ্যমে বাক স্বাধীনতা লঙ্ঘন এবং সৃজনশীলতাকে ধ্বংস করা হচ্ছে৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন