1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কবিগুরুর রচনাকে নাট্যরূপ দিতে যৌথ উদ্যোগ

কালজয়ী সাহিত্য প্রতিভা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শনে হাত মিলিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণ নাট্যকাররা৷ যৌথ উদ্যোগে কবিগুরুর সাহিত্যকর্মের নাট্যরূপ দেবেন তাঁরা৷

Tagore, India, Bangladesh, Theater, Drama, Literature, Poetry, কবি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাংলাদেশ, ভারত, সংস্কৃতি, সাহিত্য,

এই উদ্যোগে শামিল হয়েছেন বাংলাদেশের ১০ জন এবং ভারতের ১৪ জন নাট্যকার৷ প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দিতে এই ২৪ জন নাট্যশিল্পী একত্রিত হবেন শান্তিনিকেতনে৷ আগামী জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১০ দিনের কর্মশালায় যোগ দেবেন তাঁরা৷ সেখানে তাঁদের প্রত্যেকে নিজেদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি করে সাহিত্যকর্ম ঠিক করবেন৷ সেটি কোন উপন্যাস, গল্প কিংবা কবিতাও হতে পারে৷ আর সেটিকে নাট্যরূপ দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবেন এই নাট্যকাররা৷

ইতিমধ্যে এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করতে ভারত সফর করল বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল৷ এসময় প্রকল্পটির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জওহর সরকার এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব সুরাইয়া বেগমের নেতৃত্বাধীন দুই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা৷ বাংলাদেশ দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ঢাকা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউট এর প্রেসিডেন্ট রামেন্দু মজুমদার৷ ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই'কে তিনি জানান, ‘‘আমরা এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম৷ যারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে তাঁদের মধ্য থেকে তরুণ প্রতিভাবান নাট্যকারদের বাছাই করা হয়েছে৷'' তিনি বলেন, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম স্বাধীনভাবে বেছে নিতে পারবেন এই নাট্যকাররা৷ তবে তাঁরা অভিজ্ঞ নাট্য শিল্পীদের তত্ত্ববধানে কাজ করতে পারবেন৷

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করেন কবিগুরুর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে যৌথ কর্মসূচি পালনের৷ এই প্রকল্পটিও সেই কর্মসূচির অংশ৷ আগামী মাসেই শুরু হচ্ছে এই যৌথ কর্মসূচি৷ ঢাকায় ৬ মে এবং পরদিন নতুন দিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে এই যৌথ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন