1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ওয়াশিংটন সফরে আদৌ কী পেলেন মোদী?

পরমাণু শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ছাড়পত্র, ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকারের মতো সাফল্য সত্ত্বেও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অ্যামেরিকা সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে৷

মাত্র দু'বছরের মধ্যে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের রসায়নকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী৷ বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা ছাড়াও দলমত নির্বিশেষে সার্বিকভাবে মার্কিন রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কৃতিত্বও তাঁকে দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাস্তবে ভারত এই ‘বিশেষ সম্পর্ক' থেকে কতটা লাভবান হবে?

দায়িত্বশীল পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে ভারতের স্বীকৃতি আরও জোরদার করতে জোরালো উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও উচ্চ মানের প্রযুক্তি আমদানির পথ খুলে দিতে চান তিনি৷ এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সমর্থন আদায় করতে মোদী নিজেই আসরে নেমেছেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারত তার লক্ষ্য কতটা পূরণ করতে পারবে?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রকাশ্যে পরস্পরের প্রতি যে ব্যক্তিগত উষ্ণতা দেখিয়ে আসছেন, তা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের একাংশে প্রবল উচ্ছ্বাস দেখা যায়৷

উষ্ণ আলিঙ্গন, করমর্দন, হাসিমুখের আড়ালে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের আসল রসায়ন নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা৷

বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় ওয়াশিংটন নিজস্ব স্বার্থ বজায় রাখতে ভারতকে কতটা কাছে টানছে এবং পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে অ্যামেরিকার সম্পর্ক এ ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, সেই প্রশ্ন বার বার উঠে আসছে৷

প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে কোনো দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে ব্যক্তিগত উষ্ণতার বিষয়টিকে ভারতের জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে তুলে ধরতে অভ্যস্ত৷ অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, বিদেশি নেতারাও সহজে আলিঙ্গন বা সেলফি তোলার এমন ‘নাটক'-এর অংশ হয়ে পড়েন৷

মোদীর ব্যক্তিগত ‘স্টাইল' ও তাঁর চরিত্রের অনেক বৈশিষ্ট্য ভবিষ্যতের সম্ভাব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেও দেখা যায় বলে মনে করছেন কিছু পর্যবেক্ষক৷

এসবি/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়