ওয়াশিংটনে নতুন ছবি | বিশ্ব | DW | 20.01.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ওয়াশিংটনে নতুন ছবি

রাজনীতির মঞ্চে আনকোরা নতুন জুটি, বারাক ওবামা এবং হু জিনতাও৷ শুটিং ওয়াশিংটনে৷ চিত্রনাট্যই বা কেমন, অভিনেতারাই বা কেমন অভিনয় করছেন?

default

নামভূমিকায় হু জিনতাও এবং বারাক ওবামা

একবার মিডিয়ার সামনে একটি বিড়ম্বনাকর মুহূর্ত, আর একবার গাড়ির দরজা খুলতে না চাওয়া৷ এছাড়া অস্কার পাবার মতো রাষ্ট্রীয় সফর এবার চীনের রাষ্ট্রপ্রধান হু জিনতাও'এর৷

দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে যাকে বলে কিনা বডি ল্যাংগুয়েজ একটু আড়ষ্ট৷ তবে ২০০৬ সালে যেরকম এক পর্যায় হাস্যকর পরিস্থিতির উদ্রেক হয়েছিল, এবার সে তুলনায় ঝকঝকে রোদ্দুর থেকে সম্ভ্রমপূর্ণ জাঁকজমক, সবই পেয়েছেন হু৷ তবে সাংবাদিক সম্মেলনটা একটু বেশি লম্বা হয়ে গেছে৷ এবং ম্যাটম্যাটে হয়েছে৷ সব মিলিয়ে, হু এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, উভয়েই দেখানোর চেষ্টা করেছেন যেন তাঁরা পরষ্পরের অন্তরঙ্গ৷ কিন্তু তা খুব স্বাভাবিক মনে হয়নি৷ সে দুজনের করমর্দ্দন থেকে ওবামার স্বল্প মাথা ঝুঁকিয়ে অভিবাদন অবধি৷

ওভাল অফিসে নাকি প্রথমে স্মল টক হয়েছে৷ ওবামা ওয়াশিংটনের আবহাওয়া নিয়ে খোশগল্প করেছেন৷ চিকাগো'তে আরো ঠাণ্ডা হবে, বলে ঠাট্টা করেছেন - হু সেখানেই আজ বৃহস্পতিবার যাচ্ছেন কিনা৷ হু নাকি সেই ঠাট্টাতে একটি সৌজন্যমূলক হাসিও হেসেছেন৷ ওদিকে সাংবাদিক সম্মেলনটা লম্বা না হয়ে উপায় ছিল না, কেননা অনুবাদের ব্যাপার ছিল৷ কিন্তু এখানেও হু তাঁর চশমা নিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন৷ ওবামা তাঁর পোডিয়ামটি শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে থেকেছেন৷ তবে হু যে শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হয়েছেন, সেটা ওবামার পক্ষে একটা জয় বলা চলে৷

কিন্তু হু গোড়ায় এক মার্কিন সাংবাদিকের তোলা মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেননি৷ বলেছেন, প্রশ্নটার অনুবাদ নাকি তাঁর কানে আসেনি৷ তারপর এক দ্বিতীয় মার্কিন সাংবাদিক যখন একই প্রশ্ন তোলেন, তখন হু তাঁর আগে থেকে তৈরি করা জবাবই দেন৷ এমনকি মাঝে-মাঝে পোডিয়ামের ওপরে রাখা কাগজটার উপরেও চোখ বুলিয়ে নেন৷ তারপরে আবার হু-ওবামা করমর্দ্দন - ফোটোগ্রাফারদের ফোটো-অপ৷

এবার শুধুমাত্র মার্কিন সেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল মাইক মালেনের স্ত্রী হোয়াইট হাউসের লনে সংজ্ঞা হারিয়েছেন৷ ২০০৬ কেলেঙ্কারিটা অনেক বেশী হয়েছিল৷ সে'যাত্রায় চীনের জাতীয় সঙ্গীতকে ‘রিপাবলিক অফ চায়না', অর্থাৎ তাইওয়ানের জাতীয় সঙ্গীত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল৷ তাছাড়া এক বিক্ষোভকারী প্রেসকার্ড নিয়ে হোয়াইট হাউসের লনে ঢুকে হু'কে কয়েক মিনিট ধরে নানা কথা শুনিয়েছিল৷ এবার সে তুলনায় বলা চলে - ইন্টারভাল অবধি এখনও একবার ফিল্ম কাটেনি, দর্শকরাও গোলমাল করেনি৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়