1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ওবামা-ক্যামেরন বৈঠকে লকারবি ও আফগানিস্তান প্রসঙ্গ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডেভিড ক্যামেরনের এটিই প্রথম আমেরিকা সফর৷ বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে৷ উঠে আসল বিপি, লকারবি হামলার অভিযুক্ত মেগরাহি, আফগানিস্তান যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক মন্দা প্রসঙ্গও৷

ব্রিটিশ, ডেভিড, ক্যামেরন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, বারাক ওবামা, আমেরিকা President, Barack Obama and British Prime Minister David Cameron, White House, Washington

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন ওবামা ও ক্যামেরন৷ ক্যামেরনকে হোয়াইট হাউস ঘুরে দেখান ওবামা৷ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গণ্ডিতে পৌঁছে পরস্পরকে সম্বোধন করেন ডেভিড এবং বারাক নামে৷ বলে রাখা ভালো, ওবামা এখন ৪৮ আর ক্যামেরনের চলছে ৪৩ বছর৷ নিজেদের শহরের বিয়ার থেকে শুরু করে বাচ্চাদের ঘরের বিশৃঙ্খল অবস্থার কথাও উঠে আসে দুই নেতার খোশ গল্পে৷ তারপরও বৈঠকে জায়গা করে নিয়েছে আফগানিস্তান যুদ্ধ, মেক্সিকো উপসাগরে তেল বিপর্যয় আর মেগরাহির মুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ৷

আফগানিস্তানে নিহত ব্রিটিশ এবং মার্কিন সৈন্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ওবামা এবং ক্যামেরন৷ এছাড়া দুই নেতাই জোর দিয়ে বলেন যে, আফগানিস্তানে তাঁদের নীতি কৌশল এখনও ফলপ্রসূ৷ বারাক ওবামা বলেন, ‘‘সেখানে আমাদের সঠিক কৌশল রয়েছে৷ আমরা তালেবান গোষ্ঠীর শক্তি ভেদ করতে যাচ্ছি৷ আমরা আফগান বাহিনীর সামর্থ্য বাড়াতে কাজ করছি৷ ফলে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীই ভবিষ্যতে নিজেদের দায়িত্ব নিতে পারবে৷'' গত বছরও আফগানিস্তানে সৈন্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা ছিল বারাক ওবামার৷ তবে এবার ২০১১ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই অন্তত কিছু সৈন্যকে ঘরে ফিরিয়ে আনার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ওবামা৷ এদিকে, ক্যামেরন চান আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেখান থেকে ব্রিটিশ সৈন্য প্রত্যাহার করতে৷

স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন বিমানে হামলার দায়ে অভিযুক্ত আসামী মেগরাহির মুক্তির নিন্দা জানালেন দুই নেতাই৷ ১৯৮৮ সালের ঐ হামলায় নিহত হয়েছিল ২৭০ জন৷ লিবীয় নাগরিক আব্দেল বাসেত আল মেগরাহির মুক্তি প্রসঙ্গে ক্যামেরন বলেন, ‘‘এক বছর আগেই আমি বলেছি যে, এটা একটা খারাপ সিদ্ধান্ত৷ এটা মোটেও উচিত হয়নি৷ সে হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি কোন সমবেদনাও জানায়নি৷ তাদেরকে আত্মীয়-স্বজনের মাঝে নিজ ঘরের বিছানায় মরতে দেওয়া হয়নি৷ তাই আমার মতে, এই উদাসীন খুনীকে বিলাসবহুল জীবন উপহার দেওয়াটা উচিত হয়নি৷ আর তার মুক্তির সিদ্ধান্ত বিপি নেয়নি, বরং এটা ছিল স্কটিশ সরকারের সিদ্ধান্ত৷''

অবশ্য মেগরাহির মুক্তির সাথে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি বিপি'র জড়িত থাকার বিষয়ে নতুন করে কোন তদন্তের বিষয় নাকচ করে দিয়েছেন ক্যামেরন৷ এছাড়া মেক্সিকো উপসাগরে তেল বিপর্যয়ের ব্যাপারে ক্যামেরন বলেন, এই ঘটনায় মার্কিন অসন্তোষের ব্যাপারে তিনি সচেতন৷ তবে বিপি'র সামর্থ্য বাড়ানোর মধ্যে জড়িত রয়েছে দুই দেশেরই স্বার্থ৷ এখন এই তেল বিপর্যয় ঠেকানো বিপি'রই দায়িত্ব এ ব্যাপারে একমত প্রকাশ করেন ক্যামেরন৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম