1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

ওবামার শেষ, ট্রাম্পের শুরুর পালা

এসে গেছে পালাবদলের সন্ধিক্ষণ৷ সারা বিশ্ব এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামার শেষ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরুর মুহূর্তগুলো দেখার অপেক্ষায়৷ এ মুহূর্তে সব পথ গেছে ওয়াশিংটন ডিসির দিকে৷

ট্রাম্প ও ওবামা

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বারাক ওবামা (ফাইল ফটো)

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠান দেখার জন্য সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৯ লক্ষ পর্যটক ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হাজির৷ আপাত দৃষ্টিতে বিশাল মনে হলেও সত্যিকার অর্থে সংখ্যাটি কিন্তু খুব বিশাল নয়৷ আট বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামা যেদিন শপথ নিয়েছিলেন, সেদিন তাঁর দর্শন পেতে যুক্তরাষ্ট্রে পদধুলি দিয়েছিল অন্তত ১৮ লক্ষ বিদেশি৷

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরতদের বেশ বড় একটা অংশের মাঝেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সাদরে অভিনন্দন জানানোর আগ্রহ নেই৷ বার্তা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, অভিষেকের দিনে পালাবদলকে শান্তিপূর্ণই রাখবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বস্তরের মানুষ৷ তবে পরেরদিনই বিভিন্ন স্থানে হবে নানা ধরনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ৷ সবচেয়ে বড় জমায়েতটি হবে ‘উইমেন মার্চ'-এ৷ ২১ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় এ পদযাত্রায় দু'লক্ষ নারী অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

তবে তারপরও ঐতিহ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্টের বিদায়ী প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বিদায় এবং নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেকের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতাকে সাবলীল, শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃঙ্খল রাখার সার্বিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত৷

শুক্রবার সকালে বিদায়ী এবং নতুন প্রেসিডেন্ট সস্ত্রীক একসঙ্গে বসবেন চায়ের কাপ হাতে৷ চায়ে শেষ চুমুক শেষে একসঙ্গেই গাড়িতে উঠবেন ওবামা, ট্রাম্প দম্পতি৷ শুরু হবে গাড়ি শোভা যাত্রা৷ সেই শুভযাত্রা শেষ হবে ক্যাপিটলে৷ সেখানেই অভিষেক অনুষ্ঠানের মূলপর্ব৷ সেখানেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শপথ পাঠ করাবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি৷ শপথ নেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য অভিষিক্ত প্রেসিডেন্ট প্রথম ভাষণও দেবেন সেখানেই৷

এদিকে ট্রাম্পের অভিষেকের ডামাডোলের মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রর ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উর্সুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন৷ সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠানরত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে গিয়ে জার্মান এক টেলিভিশন চ্যানেলকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের জন্য লড়ছি৷ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জানতে চাই, ‘আপনাদের অ্যাজেন্ডা কী?' সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু নির্ভরশীলতা৷''

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ, বিবিসি) 

এ বিষয়ে আপনার কোনো মন্তব্য থাকলে লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়