1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘ওপেন ডে’-তে জার্মানির মসজিদে ভিড়

জার্মান সমাজে মুসলিমদের সংখ্যা যথেষ্ট হলেও তাদের ভাবমূর্তি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই৷ মসজিদে ‘ওপেন ডে’-র মাধ্যমে সংলাপের পথ খুলে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ইসলামি পরিষদ৷

৩রা অক্টোবর জার্মানির জাতীয় দিবস, ছুটির দিন৷ ১৯৯০ সালে দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণ ঘটেছিল এই দিনে৷ জার্মানির কেন্দ্রীয় ইসলামি পরিষদ এই দিনেই গোটা দেশের মসজিদে ‘ওপেন ডে' পালন করে সমাজের মূল স্রোতের সঙ্গে সংলাপ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আসছে৷ ১৯৯৭ সাল থেকে এই অভিনব কর্মসূচি শুরু হয়৷ চলতি বছর প্রায় ১,০০০ মসজিদ তাতে অংশ নিয়েছে৷

মসজিদের দেয়ালের পেছনে কী ঘটে, তা নিয়ে অনেকের মনে কৌতূহল রয়েছে৷ রয়েছে এমন অনেক ধারণা, যার সপক্ষে কোনো যুক্তি নেই৷ ৩রা অক্টোবর সেই কৌতূহল মেটানোর সুযোগ নিতে পারেন যে কোনো মানুষ৷ মসজিদ ঘুরে দেখা থেকে শুরু করে আলোচনাসভার বক্তাদের কথা শোনা তো রয়েছেই৷ চা-কফি সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খাবার-দাবারও চেখে দেখার সুযোগ রয়েছে৷ ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে যে কোনো প্রশ্নও করা যেতে পারে৷

জুতো খুলে মসজিদে প্রবেশ করার অভিজ্ঞতা অনেকের কাছেই নতুন৷ যদিও মোলায়েম কার্পেটে পা রেখে আরাম পেয়েছেন অনেকেই৷ তাদের স্বাগত জানানো হয়েছে আপেলের চা দিয়ে৷ তাতে চিনি বেশি হতে পারে, কিন্তু নতুন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় মানেই তো নতুন অভিজ্ঞতা৷

২০১৩ সালে মসজিদের ‘ওপেন ডে'-র মূলমন্ত্র ছিল পরিবেশ সংরক্ষণ৷ মসজিদে ওজু করার সময় পানির অপচয় বন্ধ থেকে শুরু করে মসজিদের জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সৌরশক্তির ব্যবহারের মতো ‘গ্রিন' বিষয় স্থান পেয়েছিল এবার৷ নর্থরাইন ভেস্টফালিয়া রাজ্যের ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী গুন্টরাম শ্নাইডার এই প্রসঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের দায়িত্বের উল্লেখ করেন৷

কেন্দ্রীয় ইসলামি পরিষদের সভাপতি আইমান মাসিয়েক বলেন, পবিত্র কোরানে স্পষ্ট বলা আছে যে পৃথিবীর সম্পদ মানুষ ব্যবহার করতে পারে ঠিকই, কিন্তু তার শোষণের অধিকার মানুষের নেই৷ ‘ওপেন ডে'-র দিনে যাঁরা মসজিদে আসেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মুসলিম নয়, বলেন মাসিয়েক৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, ইপিডি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন