1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ঐক্যের পথে লিবিয়া, অস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে

দুই সমান্তরাল প্রশাসনের জায়গায় এক জাতীয় ঐক্য সরকার লিবিয়ার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করার কাজ শুরু করছে৷ আইএস ও শরণার্থী সংকটের মোকাবিলা করতে তারা অস্ত্র বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার আবেদন জানিয়েছে৷

মুয়াম্মর গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর লিবিয়ায় যে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছিল, তার সুযোগ নিয়ে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট সে দেশে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে৷ তাছাড়া ইউরোপগামী শরণার্থীরাও অবাধে লিবিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করে চলেছে৷ এই অচলাবস্থা দূর করতে ত্রিপোলি ও বেনগাজিতে দুই বিবদমান সমান্তরাল প্রশাসনের মধ্যে বোঝাপড়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিল জাতিসংঘ৷ তারই আওতায় এক জাতীয় ঐক্য সরকার গড়া সম্ভব হয়েছে৷ ধাপে ধাপে ক্ষমতার রাশ নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছে এই সরকার৷ ভিয়েনায় এক সম্মেলনে সেই সরকারের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে আন্তর্জাতিক সমাজ৷

সবার আগে অস্ত্র বিক্রির উপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার আবেদন জানিয়েছে লিবিয়ার নতুন সরকার৷ তাদের মতে, আইএস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং দেশের সর্বত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে অস্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশগুলি এই আবেদন নীতিগতভাবে মেনে নিতে প্রস্তুত৷

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার বলেন, নতুন সরকারকে অনুগত নিরাপত্তা বাহিনী গড়ে তুলতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে৷ উপকূলরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলার কাজেও অনেক দেশ সাহায্য করতে প্রস্তুত৷

পোপ ফ্রান্সিস অবশ্য ইরাক ও লিবিয়ার মতো দেশে পশ্চিমা গণতন্ত্রের মডেল চাপিয়ে দেবার অভিযোগ করেছে৷ এক রোমান ক্যাথলিক সংবাদপত্রের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসলামপন্থি সন্ত্রাসের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা ধাঁচের গণতন্ত্রের মডেল নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত৷ ইরাক ও লিবিয়ার মতো দেশে অতীতে শক্তিশালী প্রশাসন এবং উপজাতিদের এক কাঠামো ছিল৷ সেই সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য না বুঝে অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়, বলেন পোপ৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন