1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘এ সরকারের আমলে গলা ফাটিয়ে লাভ নেই’

তিন বছর কেটে গেল৷ কিন্তু আজও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার আর মেহেরুন রুনির হত্যাকারীদের কোনো হদিশ পাওয়া যায়নি৷ আমাদের ফেসবুক পাতায় ‘কেন খুন হয়েছেন সাগর, রুনি?’ শীর্ষক ছবিঘরটি দেখে বহু পাঠক-বন্ধুই মন্তব্য না করে পারেননি৷

২০১২ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি৷ এই তিন বছরে নিহতের পরিবার, শুভানুধ্যায়ী আর সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ জানতে পারেনি হত্যাকাণ্ডের কারণ৷ কেন?

কামরুল হুদা লিখেছেন, ‘‘ডয়েচে ভেলের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি আমার খুব ভালো লেগেছে৷ তবে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কখনো আমরা পাবো বা৷ এ সরকার যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে ৪৯ ঘণ্টা কেন ৪৮ বছরেও এ মামলার বিচার হবে না৷ আসলে এই দিনটি যখন আসে, একমাত্র তখনই সরকারের চামচারা সাগর-রুনির পরিবারে সদস্যদের আশা দেন যে এই হত্যার বিচার হবে৷''

বন্ধু খানের মন্তব্য, ‘‘সরকারের ভিতরই খুনিরা নিরাপদে রয়েছে৷''

মো. ইউসুফ আলি সাইমনের বক্তব্যও একইরকম৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘এই সরকার থাকলে নির্দোষ মানুষের বিচার হবে না!!!''

মির্জা সোহেল কটাক্ষ করে লিখেছএন, ‘‘কি দরকার? ক্ষমতার মসনদ দখল করার জন্য যতটুকু আন্দোলন করা প্রয়োজন তা তো করা হয়েছেই...৷''

জুয়েল সাদিকের কণ্ঠে উঠে এসেছে তিরস্কারের সুর৷ তাঁর কথায়, ‘‘আরে এখানে তো জামাত আর হুজুররা নাই যে তাড়াতাড়ি বিচার হবে...৷''

দেলওয়ার খান লিখেছেন, ‘‘এই শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যদি সাগর-রুনি হত্যার বিচার চাওয়া হয়,

তাহলে সেটা হবে খুব বড় বোকামি...৷''

সাইমা জামানের কথায়, ‘‘কে হত্যা করেছে এটা দেশের সবাই জানে৷ কিন্তু এর বিচার হবে না৷ তাই এই সরকারের আমলে গলা ফাটিয়ে লাভ নেই৷''

অমর ফারুক চঞ্চলের ভাষায়, ‘‘সরকার আছে বিরোধী দল নিয়ে, ও সব দেখার সময় নেই তাদের৷''

উল্লেখ্য, এই হত্যার রহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি মামলাটি পুলিশ থেকে ব়্যাবের হাতে দেয়া হয়৷ ব়্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর, সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়৷ এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দ করা ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয় অ্যামেরিকায়৷ কিন্তু তাতেও হত্যাকারীদের শনাক্ত করা যায়নি৷

ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগ

নির্বাচিত প্রতিবেদন