1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

এ্যাশেজ’এর প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবার টি-টোয়েন্টি’তে

রবিবার ব্রিজটাউনে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড৷ শুক্রবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারানোর পর অস্ট্রেলিয়ার আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে৷ কিন্তু ইংল্যান্ডেরও ভয় পাবার কোনো কারণ নেই৷

default

টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড দল

পাকিস্তানের ১৯১-এর টোটাল'কে ধরাটাই ছিল এক ধরণের মিরাকল৷ কিন্তু আবার মিরাকল নয়ও বটে৷ কেননা অস্ট্রেলিয়ার আছে ব্যাটিং-এর মুদ্গর, এবং সেই সঙ্গে মারাত্মক পেস৷ কেনসিংটন ওভালের পিচটাই হবে ফাস্ট বেলারদের জন্যে, তায় আবার পিচে বাউন্স থাকবে৷ ওদিকে ডির্ক ন্যানেস কিংবা শন টেট যে ধরণের গতিবেগ সৃষ্টি করেন, ইংল্যান্ডকে তা এযাবৎ ফেস করতে হয়নি৷ দুই বোলারই একটানা ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গোলা ছুঁড়ে গেছেন, এবং ধাতব কঠিন পিচে চমকে দেওয়ার মতো বাউন্স তুলেছেন৷

আর ইংল্যান্ডের কি আছে, প্রশ্ন উঠলেই বলতে হবে: কেভিন পিটারসেন৷ অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন মিশেল ক্লার্ক সে'কথা জানেন এবং বলেছেন যে, সাফল্যের চাবিকাঠি হবে পিটারসেনকে ইনিংসের গোড়াতেই বিদায় দেওয়া৷ কাজটা কিন্তু খুব সহজ হবে না, কেননা পিটারসেন এখন দুর্দান্ত ফর্মে: শেষ তিনটি ইনিংসে ৭২ নট আউট, ৫৩ এবং ৪২ নট আউট করেছেন৷ মাঝে আবার লন্ডনে উড়ে গিয়ে নবজাত সন্তানের মুখ দেখে এসেছেন৷ ক্রিজ থেকে বেরিয়ে ফাস্ট বোলারদের ঠ্যাঙান এই পিটারসেন৷ অস্ট্রেলিয়ার খুনে পেস তাঁকে বিশেষ চমকে দিতে পারবে বলে মনে হয় না৷

কিন্তু তার পরেও থেকে যায় ‘ব্যাটিং-এর গভীরতার' কথা৷ ইংল্যান্ডের কি কোনো হাসি আছে? ঐ হাসি'ই বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়াকে আবার পায়ের তলায় মাটি পেতে সাহায্য করেছিলেন - এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তো কথাই নেই৷ অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া সত্যিই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমে ধসে পড়েছিল৷ পাকিস্তানের আকমল ভ্রাতৃদ্বয় এই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই ৫০-এ পৌঁছেছে৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইংল্যান্ডের কাজ হবে প্রথম ছ'টা ওভার সামলে দেওয়া৷ বাকিটা হবে ক্রিকেট৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়