1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

এশিয়ায় আলৎসহাইমারের রোগী বাড়ছে

এশিয়ার মানুষরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বার্ধক্যের দিকে৷ ধারণা করা হচ্ছে আগামী চল্লিশ বছরের মধ্যে পৃথিবীতে আলৎসহাইমার রোগীদের অর্ধেকেরও বেশির বসবাস থাকবে এশিয়ায়৷ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে চীন এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে৷

default

বয়স্কদের রোগ আল্সহাইমার

আলৎসহাইমার৷ কুড়ি বছর আগেও এই রোগটির নাম তেমনভাবে শোনা যেত না৷ কিন্তু ইদানীং এই রোগটি বাড়ছে৷ আলৎসহাইমারের মূল লক্ষণ হল স্মৃতি-ভ্রম৷ বয়স বাড়লে অনেক কিছুই আর মনে থাকে না৷ বিশেষ করে তাৎক্ষণিক অনেক ঘটনা৷ পরিচিত গণ্ডি হয়ে যায় অপরিচিত৷ বৃদ্ধ বাবা বা মা চিনতে পারেন না প্রিয় সন্তানদের৷ এদের যত্নও তেমনভাবে নেওয়া হয় না৷

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনে খুব অল্প কিছু ক্লিনিক এবং নার্সিং হোম রয়েছে যেখানে আলৎসহাইমার রোগীদের চিকিৎসা করানো হয়৷ তবে যা আছে তা যথেষ্ঠ নয়৷ যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে সেই হারে ক্লিনিকের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না৷

হংকং-এর আল্সহাইমার্স ডিজিজ এসোসিয়েশন-এর সমন্বয়কারী ড. ডেভিড ডাই বলেন, এশিয়ার কাঁধে আলৎসহাইমার রোগীর ভার পড়বে সবচেয়ে বেশি৷ বিশেষ করে চীনে এ সংখ্যা হবে মারাত্মক৷ অথচ আমরা এখনো তৈরি নই৷ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো অঞ্চলই তার জন্য তৈরি নয়৷

সারা বিশ্বে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ এই আলৎসহাইমার রোগে ভুগছে৷ এই সংখ্যা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিগুণ হবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫ কোটিতে৷

একটি জরিপে জানানো হয় ২০০৫ সালে এশিয়ায় প্রায় এক কোটি ৩০ লক্ষ মানুয আলৎসহাইমারে আক্রান্ত৷ ২০২০ সালের মধ্যে তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে৷ ২০৫০ সালের মধ্যে তা ছয় কোটি ছাড়িয়ে যাবে৷ শুধু চীনেই আলৎসহাইমারের রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি৷ দ্বিতীয় স্থানে ভারত, সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি৷

বলা হচ্ছে, যে বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার বয়স সত্তরের ওপরে তাদের মধ্যে ১০ শতাংশের আলৎসহাইমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি৷ যাদের বয়স আশি পেরিয়ে গেছে তাদের মধ্যে শতকরা ৩০ শতাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে৷

হংকং-এর পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পেটার ইউয়েন বলেন, প্রায় প্রতিটি পরিবারকেই এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে৷ কারণ প্রতিটি পরিবারেই রয়েছে বৃদ্ধ বাবা-মা বা দাদা নানা৷

তবে এই রোগের চিকিৎসায় এবং রোগীদের সেবায় এগিয়ে রয়েছে অ্যামেরিকা৷ ২০৫০ সালের মধ্যেই সরকারি এবং বেসরকারি স্বাস্থ্য বীমা তাদের বাজেট বাড়াতে পারে প্রায় ছয় গুন৷ বাজেটের পরিমাণ হবে ১.০৮ ট্রিলিয়ন ডলার৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়