1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

এশিয়ার কিশোর-কিশোরীরা বাকি বিশ্বের চেয়ে এগিয়ে

বিজ্ঞান, অঙ্ক শেখা আর কোনো কিছু উচ্চারণ করে পড়ায় ১৫ বছর বয়সি এশীয় ছেলে-মেয়েরা বিশ্বের অন্য সব মহাদেশের ছেলে-মেয়েদের চেয়ে এগিয়ে৷ বিশ্বব্যাপী জরিপ চালানোর পর বিষয়টি জানিয়েছে ওইসিডি৷

অরগ্যানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যাণ্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) নামের একটি সংস্থা তিন বছর পর পর ১৫ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরিদের নিয়ে একটা জরিপ চালায়৷ জরিপের বিষয় পড়ালেখা৷ বিজ্ঞান, গণিত শিক্ষা আর সাধারণভাবে কিছু উচ্চারণ করে পড়ায় কোন মহাদেশের ছেলে-মেয়েদের দক্ষতা কেমন তা-ই দেখা হয় পরীক্ষায়৷ যে কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে জরিপটি চালানো হয় তার নাম ‘প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট', সংক্ষেপে পিআইএসএ বা পিসা৷ ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী এ পরীক্ষা চালিয়ে ওএসিডি জানিয়েছে, বিজ্ঞান আর অঙ্ক শিক্ষা এবং উচ্চারণ করে কিছু পড়ায় এশিয়ার ১৫ বছর বয়সিরা সবচেয়ে এগিয়ে৷

তালিকার সবচেয়ে ওপরে আছে এশিয়ার সাংহাই, সিঙ্গাপুর, হংকং, তাইপে, দক্ষিণ কোরিয়া আর জাপানের নাম৷ এসব দেশের কিশোর-কিশোরীরা তিনটি বিষয়েই ওইসিডি নির্ধারিত গড় নম্বরের চেয়ে ৭০ থেকে ১২০ পর্যন্ত বেশি পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে৷ তাইপে ছাড়া প্রত্যেকের পারফরম্যান্স ২০০৯ সালের চেয়ে ভালো৷ তাইপের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞানে এবার আগের চেয়ে কম পয়েন্ট পেয়েছে৷ তারপরও সাংহাই, সিঙ্গাপুর, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া আর জাপানের মতো তাইপের ছেলে-মেয়েদের সম্মিলিত গড় স্কোর ৫০০-র কাছাকাছি৷

সবচেয়ে খারাপ করেছে পেরু আর ইন্দোনেশিয়ার ছেলে-মেয়েরা৷ তারা কাঙ্খিত মোট নম্বরের চেয়ে ১১০ থেকে ১৩০ পর্যন্ত কম পেয়েছে৷

উন্নত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত আমেরিকা আর ইউরোপের ছেলেমেয়েদের এমন প্রতিযোগিতায় ভালো করার কথা৷ কিন্তু ওইসিডি-র ফলাফল বলছে উল্টো কথা৷ আমেরিকার ছেলেমেয়েরা প্রত্যাশিত গড় নম্বরের চেয়ে অঙ্কে ১৩ নম্বর কম পেয়েছে আর বিজ্ঞান আর পাঠে পেয়েছে খুব কাছাকাছি যাবার সান্ত্বনা৷ সার্বিকভাবে ইউরোপের ছেলেমেয়েদের অবস্থাও খারাপ৷ অবস্থা দেখে ইউরোপের শিক্ষা বিষয়ক কমিশনার আন্দ্রুলা ভাসিলো বলেছেন, ‘‘ইউরোপের ভবিষ্যতের কথা ভেবে যে মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো দরকার- এ ফলাফল সে বিষয়টিই মনে করিয়ে দিলো৷''

এসিবি/জেডএইচ (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন