1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

এশিয়ান গেমস এক থাকবে: এশীয় অলিম্পিক প্রধান

অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া বা ওসিএ-র প্রেসিডেন্ট শেখ আহমদ আল-ফাহাদ আল-সাবাহ দক্ষিণ কোরিয়া-র ইনচন-এ বলেছেন যে, আমন্ত্রণকর্তা ও টিকিট বিক্রি নিয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও ‘‘ল্যান্ডমার্ক’’ এশিয়ান গেমস অলিম্পিক আকারেরই থাকবে৷

এশিয়ান গেমস এই মহাদেশের বিকাশ ও আত্মসম্মানের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ওসিএ প্রধান৷ ‘‘গেমস ঠিক এই আকারের হওয়া উচিত, এর থেকে ছোট নয়,'' একটি সাক্ষাৎকারে বলেন শেখ আহমদ, যিনি কুয়েতের মানুষ: ‘‘আমরা খরচ কমানোর চেষ্টা করব, গেমস-এর শৈলীটাকে নয়৷''

২০১০ সালে চীনের গুয়াংঝু-তে অনুষ্ঠিত গেমস আর ২০১৪য় ইনচন-এর মধ্যে গেমস চালানোর খরচ কিছু কমেছে, এবং ২০১৮ সালে জাকার্তায় গেমস শুরু হওয়া অবধি সে খরচ আরো কিছুটা কমবে বলে শেখ আহমদ আশা করেন: ‘‘কিন্তু আমরা আমাদের গেমস-এর মান কখনোই পরিত্যাগ করব না৷ এটা এই মহাদেশের একটা পরিচিতি চিহ্ন এবং আমরা যদি সেটাকে আরো ছোট করি, তাহলে খেলাধুলার ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থানই ছোট হয়ে যাবে৷''

এশিয়ান গেমস-এ ৩৬ ধরনের খেলাধুলা রয়েছে, যা কিনা অলিম্পিকের চেয়ে আট ধরনের (স্পোর্ট বা ডিসিপ্লিন) বেশি৷ দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন এশিয়ার একটি উঠতি আর্থিক কেন্দ্র; সেখানে আয়োজিত গেমস-এ এবার এসেছেন সাড়ে ন'হাজার ক্রীড়াবিদ ও সেই সঙ্গে হাজার হাজার কোচ, কর্মকর্তা এবং মিডিয়া৷ গেমস অনুষ্ঠানের জন্য ইনচন-কে ১৭টি নতুন ক্রীড়াঙ্গণ নির্মাণ করতে হয়েছে – যার ফলে ইনচন আজ দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত শহর৷

মুশকিল এই যে, টিকিট বিক্রি থেকে বিনিয়োগের অর্থ উশুল হবার কোনো সম্ভাবনা নেই, কেননা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্টেডিয়ামগুলো মোটামুটি খালি থেকেছে অথবা বহু আসন শূন্য থেকেছে৷ শেখ আহমদ তার একটা ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছেন বটে – যথা, ইনচন-এর উৎসাহী মেয়র বদল ইত্যাদি ‘‘অভ্যন্তরীণ কারণ'' – কিন্তু ভবিষ্যৎ আমন্ত্রণকর্তাদের অভিমত দৃশ্যত অন্য৷ ২০১৮'র গেমস আদতে যে শহরকে দেওয়া হয়েছিল, সেই হ্যানয় ইতিমধ্যেই ‘‘আর্থিক উদ্বেগের'' কারণে পশ্চাদপসরণ করেছে, যার ফলে জাকার্তার উপর সে দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে৷

ওদিকে শেখ আহমদ দেখছেন যে, বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের পর এশিয়াতেই নিরাময় প্রক্রিয়া সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে; কাজেই এশিয়া ও উত্তর অ্যামেরিকা, এই দু'টি মহাদেশই বাস্তবিক বর্তমানে আমন্ত্রণকর্তা হবার উপযোগী৷ সত্যিই তো, ২০১৮-র শীতকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে পিয়ংচাং-এ; ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে টোকিও-য়; আর ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক পাবার সম্ভাবনা বেইজিং কিংবা কাজাখস্তানের সাবেক রাজধানী আলমাটি-র৷

এসি/এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন