1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

এলো রুপালি পর্দায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা দেখার সুযোগ

শরীর আগুনে পুড়ে প্রায় ছাই হয়ে গিয়েছিল একজনের৷ বেঁচে ছিলেন তিনি, সেই নতুন জীবনেও ছিল বীরত্বগাথা! পরিচালক রন হাওয়ার্ড এবার দেখাবেন প্রতিনিয়ত জীবন বাজি রাখা ফর্মুলা ওয়ানের সেই টানটান উত্তেজনা৷ দেখা যাবে তিনদিন পরই৷

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব৷ উৎসবের তৃতীয় দিন, অর্থাৎ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থাকছে বিশেষ আকর্ষণ৷ সেদিন চলচ্চিত্র অনুরাগীরা প্রাণভরে উপভোগ করবেন হলিউডের পরিচালক রন হাওয়ার্ডের নতুন ছবি, ‘রাশ'৷ ছবির মূল কাহিনী কমপক্ষে ৪৩ বছর আগের কিছু ঘটনা নিয়ে৷ ঘটনাগুলো ফর্মুলা ওয়ানের৷ হ্যাঁ, গাড়ি নিয়ে সেই গতির লড়াই, যে লড়াইয়ে প্রতি মুহূর্তে থাকে জীবন বিসর্জনের ঝুঁকি৷ সত্তরের দশকে ঝুঁকিটা যেন বেশিই নেয়া হতো৷ অস্ট্রেলিয়ার নিকি লডা আর ব্রিটেনের জেমস হান্টের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো এমন ছিল যে দু'জনই শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে ড্রাইভিং সিটে বসতেন জীবন হাতে নিয়ে৷ ফর্মুলা ওয়ান যাঁরা দেখতে ভালোবাসেন, তাঁদের অনেকেরই নিকি লডার জীবনের একটি ঘটনা চিরকাল মনে থাকবে৷ একবার ট্র্যাকে মরতে বসেছিলেন তিনি৷ প্রতিযোগিতায় প্রথম হতে গিয়ে, প্রতিযোগীদের মধ্যে সবার আগে মৃত্যু বরণ করেই ফেলতেন একটু হলে৷ দুর্ঘটনায় ক্ষতবিক্ষত শরীর আগুনে পুড়ে এমন হয়েছিল যে চেনাই যাচ্ছিল না তাঁকে৷ সেই অবস্থা থেকেও সুস্থ হয়ে গ্রাঁ প্রি-ও জিতেছিলেন নিকি লডা৷

Former Austrian Formula One world champion Niki Lauda walks through the paddock at the race track Autodromo Nazionale Monza, Italy, 11 September 2011. The Formula One Grand Prix of Italy is the last European race of the season 2011. Photo: David Ebener dpa +++(c) dpa - Bildfunk+++

নিকি লডা

‘রাশ' দেখলে জীবনযুদ্ধের অসমসাহসী এই বীরকেও দেখা যাবে৷ রন হাওয়ার্ডের অনেক ছবিতেই অবশ্য এমনটি দেখা যায়৷ ৫৯ বছর বয়সি এই পরিচালকের ‘ইন দ্য হার্ট অফ দ্য সি' ছবিটির কথাই ধরুন৷ সেখানে দেখানো হয়েছিল ১৮২০ সালে এক ঝাঁক তিমি মাছের আক্রমণের পরও ৯০ দিন অবিশ্বাস্য এক লড়াই করে এক জাহাজের নাবিকের বেঁচে থাকার গল্প৷

রন হাওয়ার্ডের জীবনের গল্পটাও অসাধারণ৷ হলিউডে অভিষেক শিশু অভিনেতা হিসেবে৷ আর অনেকের মতো শৈশবের খ্যাতি উদযাপন করতে করতেই বাকি জীবন তিনি পার করে দেননি৷ প্রথম ছবি পরিচালনা করেছিলেন ২৬ বছর বয়সে৷ অভিনেতা থেকে পরিচালক হয়ে ভুল করেননি৷ তাহলে কি আর ‘আ বিউটিফুল মাইন্ড' ছবির জন্য ২০০১ সালে অস্কার জিততে পারতেন?

এসিবি/এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন