1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এরশাদ-রওশন – দু'জনে দু'জনার!

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ আর প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ স্বামী-স্ত্রী৷ একই দলের এই দুই প্রভাবশালী নেতা গত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দূরে সরে যান৷ কিন্তু হঠাৎ বৃহস্পতিবার তাঁদের একই মঞ্চে দেখা যায়৷

default

‘রওশনের সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নেই’

৫ই জানুয়ারির একতরফা সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি৷ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদও বিএনপি'র অনুসারী হতে চেয়েছিলেন৷ নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁর দলের সদস্যদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে৷ তবে এরশাদ সফল হননি৷ জাতীয় পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ বাধ সাধেন৷ এবং রওশনেরই জয় হয়৷ শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নেয় এবং ৩৪টি আসন পায়৷ জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধী দল এবং রওশন এরশাদ বিরোধী দলীয় নেত্রী হন৷ আর বিরোধী দল হলেও মন্ত্রীত্বও নিয়েছেন তারা৷ এরশাদ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত৷ কিন্তু দূরত্ব বাড়ে এরশাদ-রওশনের৷ মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে যায়৷ রওশন আলাদা অফিসে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম শুরু করেন৷ আলোচনায় আসে এরশাদকে বাদ দিয়ে রওশনের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির৷

Bangladesch Präsident Hossain Mohammad Ershad

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ ইদানিং কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন

কিন্তু বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এরশাদ প্রধান অতিথি আর রওশন বিশেষ অতিথি হিসেবে একই মঞ্চে পাশাপাশি বসেন, কথা বলেন, বক্তৃতা দেন৷ রওশন তার বক্তৃতায় বলেন, ‘‘এরশাদের সঙ্গে আমার কোন বিরোধ নেই৷ পার্টি ভাগ হয়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই৷ ওনাকে (এরশাদ) বাদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না৷ নির্বাচনে গিয়েছি একটা প্রেক্ষাপটে৷ কিন্তু ভবিষ্যতে আর নির্বাচন করবো না, আর রাজনীতিও করবো না৷''

রওশন আরও বলেন, ‘‘এর আগে উনি (এরশাদ) যখন জেলে ছিলেন, তখনও অনেকে আমাকে পার্টির চেয়ারম্যান হতে বলেছে৷ কিন্তু আমি হইনি৷ তখন হইনি এখনও হবো না৷'' তিনি বলেন, ‘‘নানা বিপত্তি নিয়ে নির্বাচন হয়েছে৷ নির্বাচনটা জরুরি ছিলো৷ তাই নির্বাচনে গিয়েছি৷ এ ব্যাপারে পরে আলাপ-আলোচনা করবো৷''

এরপর সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেন, ‘‘রওশনের সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নেই৷ আমরা এক সাথে রাজনীতি করবো৷ ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথ চলবো৷ রওশন এরশাদের উপস্থিতি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে৷ তিনি (রওশন) বলেছেন, আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই৷''

অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রহুল আমীন হাওলাদার ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন৷ রওশন এবং এরশাদের বক্তৃতায় সময় নেতা-কর্মীরা হাত তালি দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন৷ অনুষ্ঠান শেষে কেন্দ্রীয় নেতারাও বলেন, ‘‘স্যার আর ম্যাডাম আবার এক হয়েছেন ৷ জাতীয় পার্টিকে কেউ ভাঙতে পারবেনা৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়