1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এমএইচ৩৭০: ব্লুফিনের দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭-এর এমএইচ৩৭০ উড়ালের ‘নিখোঁজ’ বিমানটির সন্ধানে ভারত মহাসগারের তলদেশে দ্বিতীয়বার ডুব দিয়েও আশা জাগানিয়া কোনো তথ্য আনতে পারেনি মনুষ্যবিহীন খুদে ডুবোজাহাজ ব্লুফিন-২১৷

ছয় সপ্তাহ আগে ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে ‘উধাও' হয়ে যাওয়া বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজটির খোঁজে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ উপকূল থেকে দুই হাজার কিলোমিটার দূরে বিমান, জাহাজ ও ডুবোজাহাজের বিপুল এই অভিযান চলছে৷

গত ৫ এবং ৬ এপ্রিল জাহাজ থেকে দুটি সংকেত পাওয়ার পর সেগুলো নিখোঁজ বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স' থেকে এসেছে ধরে নিয়ে ভারত মহাসগরের এই অংশে শুরু হয় তল্লাশি৷ কিন্তু দশ দিনেও কোনো ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন না পেয়ে সাগরতলে অভিযান শুরু করতে বাধ্য হন অনুসন্ধানকারীরা৷

মার্কিন নৌ-বাহিনীর রোবোটিক ডুবোজাহাজ ব্লুফিন-২১ প্রথম অভিযান শুরু করে মঙ্গলবার রাতে৷ কিন্তু পানির নীচে ৪ হাজার ৫০০ মিটার নামার পর অভিযানের মাঝপথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি ফিরে আসে, কেননা এর বেশি নামার সামর্থ্য এই ডুবোজাহাজের নেই৷ বুধবার দ্বিতীয় অভিযানও ব্যর্থ হয়ে যায় কারিগরি কারণে৷

Bluefin 21 Unterwasser Roboter

ব্লুফিনের দ্বিতীয় চেষ্টাও যে ব্যর্থ!

অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা বলছেন, ব্লুফিন-২১ এ পর্যন্ত যে তথ্য পাঠিয়েছে, তা বিশ্লেষণ করে উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি৷ তবে তারা অনুসন্ধান চালিয়ে যাবেন৷ যে ৬০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেই পুরো এলাকায় তল্লাশি শেষ করতে ব্লুফিনের দুই মাসও সময় লাগতে পারে বলে মার্কিন নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন৷

গত ৮ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে চীনের বেইজিংয়ে যাওয়ার পথে ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হয়ে যায়৷ এর পর থেকেই বহুজাতিক এ অভিযান চলছে৷

গত ৪০ দিনেও বিমানটির কোনো ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়নি, ছিনতাই হওয়ারও কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য মেলেনি৷

কারিগরি ত্রুটির কারণে বিমানটির বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাবনা মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ একেবারে নাকচ করে দেয়নি৷ তবে তাদের ধারণা, বিমানটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই নির্ধারিত যাত্রাপথের উল্টোদিকে চালানো হয়েছিল৷

ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ এবং এর আরোহীদের ভাগ্যে আসলে কি ঘটেছে, তা জানা সম্ভব হবে যদি বিমানটির ‘ব্ল্যাক বক্স' খুঁজে পাওয়া যায়৷ তবে এই ‘ব্ল্যাক বক্স' সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে৷ ফলে বিমানটি সাগরের ওই অংশে বিধ্বস্ত হয়ে থাকলেও ‘ব্ল্যাক বক্স'-এর ব্যাটারি ইতিমধ্যে ফুরিয়ে গেছে৷ আর এতদিন পর ভাসমান কোনো ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ারও আশা দেখছেন না অনুসন্ধানকারীরা৷

১৬.২ মিটার দীর্ঘ ব্লুফিন-২১ তার ‘সাইড স্ক্যানিং সোনার' দিয়ে সাগরের তলদেশের একটি ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করছে৷ ফলে সেখানে বড় আকারের কোনো ধাতব কাঠামো থাকলে, তা অবশ্যই নজরে আসবে বলে মনে করছেন অনুসন্ধানকারীরা৷

জেকে/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন