1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এমএইচ৩৭০ দুর্ঘটনার সময় কেউ বিমানটির নিয়ন্ত্রণে ছিল না!

নতুন এক প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে৷ হারিয়ে যাওয়া বিমানটি খোঁজায় নেতৃত্ব দেয়া প্রতিষ্ঠান ‘অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো’ এটিএসবি স্যাটেলাইট তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন সম্ভাবনার কথা বলছে৷

অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় এক সম্মেলনে বুধবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়৷ এমএইচ৩৭০ খোঁজার কাজে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞরা তাঁদের প্রাপ্ত তথ্য একসঙ্গে বসে বিশ্লেষণ করার লক্ষ্যে তিনদিনের এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন৷

প্রতিবেদন বলছে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফ্লাইটটি খুব দ্রুতগতিতে নীচে নেমে থাকতে পারে৷ নেমে আসার গতি মিনিটে ২৫ হাজার ফুট পর্যন্ত হতে পারে৷ এবং সেই সময় বিমানটির নিয়ন্ত্রণে হয়ত কেউ ছিল না৷

এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করেছে ফ্লাইটটির পাখার ‘ফ্ল্যাপ’ - যেটি তাঞ্জানিয়ার উপকূলে ভেসে উঠেছিল৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, পাইলটরা যখন কোনো ফ্লাইটের অবতরণ শুরু করেন তখন পাখার ফ্ল্যাপগুলো প্রসারিত করেন৷ কিন্তু ভেসে ওঠা ফ্ল্যাপটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বিমান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে হয়ত ফ্ল্যাপটি প্রসারিত করা হয়নি৷

নতুন প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্যি কিনা তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এটিএসবি'র পরিচালক পিটার ফোলে৷

২০১৪ সালের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ ভারত মহাসাগরে হারিয়ে যায়৷ সেই থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা ঠিক করে গত আড়াই বছর ধরে বিমানটি খোঁজার কাজ চলছে৷ কিন্তু এখনও কিছু পাওয়া যায়নি৷ তবে বিমানের তিনটি অংশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে ভেসে উঠেছে৷

আগামী বছরের শুরুতে খোঁজ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা৷ এর মধ্যে কিছু না পেলে আবারও খোঁজ শুরু হবে কিনা সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি৷

জেডএইচ/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়