1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘এটা আওয়ামী লীগের কথা, জনগণের মতামত না'

‘‘সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের প্রশ্নে আমাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স'৷ তাই সন্ত্রাসবিরোধী সকল সিদ্ধান্তে ভারতের পাশে থাকবে বাংলাদেশ৷'' ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এ কথাই বলেছিলেন শেখ হাসিনা৷ কিন্তু তাঁর সঙ্গে অধিকাংশ পাঠকই একমত নন৷

ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় পাঠক রফি হকের বক্তব্য, ‘‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত না৷ তাই তাঁর বক্তব্য বা চিঠি বাংলাদেশের জনগণের মতামত না৷ শেখ হাসিনার জন্য সবচেয়ে ভালো হয়, এই ধরনের স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক বিষয়ে চুপ থাকা৷ তারপরও যদি বলতে হয়, তাহলে তাঁর গণভোট অথবা জনমত জরিপের মাধ্যমে জনগণের মতামত যাচাই করে বলা উচিত৷ এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়, এটা কাশ্মীরের জনগণের স্বাধীনতা সংগ্রাম৷''

পাঠক নাহিদ হোসেনও রফিক হকের সঙ্গে পুরোপুরি একমত৷ আর পাঠক জাহেদ আহমেদের প্রশ্ন, ‘‘ভোটারবিহীন নির্বাচিত সরকার কীভাবে জনগণের মতামত ছাড়া এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়?''

‘‘ভারত কখনও আমাদের ভালো চায়নি৷ আশা করছি বাংলাদেশের জনগণ চিন্তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে৷'' এ মন্তব্য ডয়চে ভেলের পাঠক সালাউদ্দিন মন্সির৷

মনির খানেরও এক কথা৷ তিনি ভারতে পাশে নেই বলে জানিয়েছেন৷

শাহবাজ চৌধুরীর প্রশ্ন, ‘‘বাংলাদেশ বলতে কী বোঝায়? আওয়ামী লীগ সরকার নাকি জনগণ?''

মো. মনিরের ধারণা, ‘‘এটা আওয়ামী লীগের কথা, জনগণের মতামত না৷''

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐ কথার সঙ্গে বাংলাদেশের মাত্র ২০ ভাগ মানুষের সমর্থন থাকতে পারে ধারণা করছেন সাইফুল আমিনের৷

তবে সিদ্ধার্থ সিধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে একমত৷ ডিডাব্লিউ-র ফেসবুক পাতায় তিনি লিখেছেন, ‘‘সঠিক সিদ্ধান্ত৷ একাত্তরে ভারত যেমন আমাদের পাশে ছিল, তেমনি ভারতের বিপদে বাংলাদেশও পাশে থাকবে৷''

প্রায় একই বক্তব্য তুলে ধরেছেন ফেসবুকে পাঠক বাপ্পা ঘোষও৷ তিনি বাকিদের প্রশ্ন করেছেন, ‘‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস কি পড়া নেই?''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন