1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এক বছরের জন্য সাত হাজার অভিবাসী আশ্রয় পেলো

অবিলম্বে হাজারো রোহিঙ্গা অভিবাসীদের সাহায্য দেয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া৷ বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে একমত হয়েছে দেশ দু'টি৷

বুধবার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ৭,০০০ রোহিঙ্গা অভিবাসীকে অস্থায়ী আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে একমত হয়৷ অন্যদিকে মিয়ানমার সরকার আগামী সপ্তাহে এই সংকট নিয়ে ব্যাংককে একটি সম্মেলনে যোগ দেবে বলে জানিয়েছে৷ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, সমুদ্রে নৌযানে ভাসতে থাকা অভিবাসন-প্রত্যাশীদের খোঁজ ও উদ্ধারে অভিযান চালাতে দেশটির নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ এএফপি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাগরে আটকা পড়াদের জন্য স্থল ও সাগর পথে মানবিক সহায়তা দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি৷

মালয়েশিয়ার নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা এরই মধ্যে সাগরে অভিযান শুরু করেছেন৷ এদিকে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরমানাথা নাসির জানিয়েছেন, সমুদ্রে অভিবাসীদের খোঁজে অভিযান চলছে৷

৪০ শতাংশ বাংলাদেশি

নাসির জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানো অভিবাসীদের ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি

এ মাসে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় তিন হাজারের বেশি অভিবাসী আশ্রয় নিয়েছে৷

জাতিসংঘের আহ্বান

এর আগে জাতিসংঘের আহ্বানের পর বুধবার কুয়ালালামপুরে জরুরি বৈঠক করে সাগরে ভাসমান প্রায় সাত হাজার ‍মানুষকে সাময়িকভাবে আশ্রয় ‍দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া৷ সেইসঙ্গে এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তা চেয়েছে দেশ দুটি৷ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া এসব অভিবাসীদের এক বছরের জন্য আশ্রয় দেবে৷ এরপর আন্তর্জাতিক সহায়তায় এসব অভিবাসীকে অন্য কোনো দেশে আবাস খুঁজে নিতে হবে৷ ওই বৈঠকে থাইল্যান্ড অংশ নিলেও অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে দেশটির পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি৷

অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টোনি অ্যাবোট বলেছেন, ‘‘এই অভিবাসীদের আশ্রয় দিলে তাদের মনোভাবকে প্রশ্রয় দেয়া হবে৷ ফলে নৌকায় করে মানুষ আসার সংখ্যা বাড়তেই থাকবে এবং এটা সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে৷ তাদের বুঝিয়ে দেয়া উচিত যে এভাবে নৌকায় করে বেরিয়ে পড়লে তুমি যা চাচ্ছো তার কোনটাই পাবে না৷'' এর উত্তরে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘অস্ট্রেলিয়ার মতো যেসব দেশ শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে তারা কোনোভাবেই এ দায় এড়াতে পারে না৷'' উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে অ্যাবোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর নৌকায় আসা অভিবাসীরা যেন কোনো দ্বীপে আশ্রয় নিতে না পারে তাই সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে উপকূলে৷

অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা

ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানো অভিবাসীদের একজন সিরাজুল ইসলাম৷ তিনি জানান, তাদের নৌকাটি থাইল্যান্ড উপকূলে পৌঁছানোর পর সেখানকার নৌবাহিনী তাদের কিছু খাদ্য ও পানীয় দিয়েছিল এবং ১০ মিনিটের মধ্যেই সেখান থেকে চলে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল৷ ঐ নৌকায় শিশু ও নারীসহ ১০ জন না খেতে পেয়ে মারা গেছে৷

এপিবি/জেডএইচ (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন