1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি’

শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৭শে অক্টোবর থেকে ২৪শে জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অর্থাৎ সরকারের মেয়াদ পূর্তির শেষ ৩ মাসে৷ প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি জানায়, তারা এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না৷

সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর সিনিয়র সচিবদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ সেই বৈঠকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন৷ মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হেসাইন ভুইঞা জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নির্বাচন বর্তমান সরকারে মেয়াদের শেষ তিন মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে৷ এছাড়া, সময়ও বেধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ আওয়ামী লীগ নেত্রী জানিয়েছেন নির্বাচন হবে ২৭শে অক্টোবর থেকে ২৪শে জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো দিন৷ এই সময় সংসদ সদস্যরা থাকলেও তাঁদের কার্যকারিতা থাকবে না৷ সংসদের অধিবেশন বসবে না৷ আর মন্ত্রিসভা থাকবে, তবে তারা দৈনন্দিন কাজ করবেন৷ নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কশিমন৷ তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন কাজ করবে৷

এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, নির্বাচনের সময় ঘোষণা এখন কোনো গুরুত্ব বহন করে না৷ আগে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সরকারকে সমঝোতায় আসতে হবে৷ বিএনপিসহ দেশের সাধারণ মানুষ এবং সুশীল সমাজ চায় নির্বাচন হোক নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে৷ আর বিএনপি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বোচনে যাবে না৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সময় ঘোষণা করে সংবধিানের পঞ্চদশ সংশোধনীর অধীনেই নির্বাচন করতে চান৷ তার মানে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারে অধীনেই নির্বাচন হবে৷

তিনি বলেন, মেয়াদের শেষ তিন মাস না মেয়াদের পরের তিন মাসে নির্বাচন – তা এখন মোটেই গুরুত্বপূর্ণ না৷ গুরুত্বপূর্ণ হলো নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার৷ সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি না মেনে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে৷ কিন্তু তাতে কাজ হবে না৷ বরং এতে দেশে অস্থিরতা বাড়বে৷ বিএনপি এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছে৷ সরকার একতরফাভাবে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের চেষ্টা করলে, বিএনপিও কঠোর আন্দোলনে যাবে৷ আন্দোলনের মাধ্যমেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে তখন বাধ্য করা হবে সরকারকে৷

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব মহাজোট সরকার গঠন করে৷ আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়