1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

এইডস আক্রান্তদের সংখ্যা ভারতে প্রায় ৪০ লাখ

ভারতে এইডস সংক্রমণের ঝুঁকি যাঁদের সবচেয়ে বেশি, তাদের সুরক্ষিত জীবনযাপনের সুযোগ বাড়াতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২,৫৫০ কোটি টাকার এক প্রকল্প অনুমোদন করেছে যেন ২০১৭ সাল নাগাদ এই সংক্রমণ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়৷

জাতীয় এইডস কন্ট্রোল সাপোর্ট প্রোজেক্ট (এনএসিএসপি ) বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মঞ্জুর করা ২,৫৫০ কোটি টাকায় ঝুঁকি প্রধান জনসম্প্রদায়ের মধ্যে এইডস বা এইচআইভি প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক পরিষেবা জোরদার করা হবে৷ এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকও অনুরূপ অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে৷ ভারতে এইডস বা এইচআইভি আক্রান্তদের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখের মত৷ দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজিরিয়ার পরই ভারতের স্থান৷

ভারতের মত জনবহুল দেশে যেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবা খারাপ, জনগণের একটা অংশ অশিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত, সেখানে এইডস সংক্রমণ বাড়াটা অস্বাভাবিক নয়৷

Indien Generikahersteller Natco

এইডস গবেষণায় লিপ্ত বিজ্ঞানীরা

তবু এইডস নিয়ন্ত্রণে ভারতের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে ইউএনএইডস৷ তবে এই সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে সিপলাব়্যানব্যাক্সির মত ভারতের কিছু ওষুধ কোম্পানি৷ ঐসব কোম্পানি কম দামে এইডস বা এইচআইভি প্রতিরোধক ওষুধ বাজারে ছেড়েছে৷ তাতে বহু জীবন রক্ষা পেয়েছে স্রেফ ভারতেই নয়, আফ্রিকাতেও৷

ভারতে প্রথম এইচআইভি সংক্রমণ ধরা পড়ে চেন্নাই-এ ১৯৮৬তে৷ তারপর থেকে একের পর এক রাজ্য এর কবলে পড়ে৷ তবে কেন্দ্রীভূত থাকে সমাজের গরিব, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে৷ যার মধ্যে আছে গ্রাম থেকে শহরে আসা শ্রমিক, ড্রাগ সেবনকারী, পুরুষে-পুরুষে যৌন সম্পর্ক ও যৌনকর্মী৷ প্রথমদিকে সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ সংক্রামিত হলেও পরে তা সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে৷ ছড়িয়ে পড়ে শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলে৷ আক্রান্তদের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা বেশি৷ চারজনের মধ্যে একজন মহিলা৷ তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের স্থান ওপরের দিকে৷

ভারতে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ার কারণ কী ? ভারত জনবহুল বিশাল দেশ৷

HIV Aids Bekämpfung in Afrika UN Millenniumsziele

আফ্রিকাতেও অনেক এইডস রোগী রয়েছে

সামাজিক-সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য আলাদা৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার হার কম, নানা ভুল ধারণার প্রচলিত৷ বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক৷ সচেতনতার অভাবে যৌন-বাহিত সংক্রমণের চিকিৎসা না করানো৷ নারী-পুরুষের সংখ্যাগত বৈষম্যের দরুন নারীরা এর শিকার হয় বেশি৷

কী ভাবে ছড়ায় এই রোগ ? অসুরক্ষিত যৌন সম্ভোগ, এইচআইভি সংক্রামিত রক্ত নেয়া, সংক্রামিত ইনঞ্জেকশন সিরিঞ্জ ব্যবহার করা৷ এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মা থেকে সন্তানের মধ্যে সংক্রমণ৷ এইডস/এইচআইভি প্রতিরোধের কৌশলগত উপায় হলো, শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো৷ স্কুল ও কলেজে এইডস শিক্ষা কর্মসূচি চালু করা৷

এইডস-এর লক্ষণ কী ? দেহের ওজন কমে যাওয়া,একমাসের বেশি জ্বর, একমাসের বেশি পেট খারাপ, একমাসের ওপর কাশি, চুলকানি, মুখে ও গলায় সাদা সাদা দাগ এবং লিম্ফ গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া ইত্যাদি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন