1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

এইচআইভি প্রতিরোধের লক্ষ্য এখনও অনেক দূরে

গোটা বিশ্বে আজ মারণব্যাধি এইডস ছড়িয়ে পড়ছে৷ এইচআইভি ভাইরাসকে ঠেকিয়ে রাখতে নানা দেশে প্রতিরোধক ওষুধ বিতরণ চালিয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ৷ তবে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল তা এখনও অনেক দূরে৷

HIV AIDS Symbolfoto

জাতিসংঘের লক্ষ্য

লক্ষ্যমাত্রাটি ছিল ২০১০ সালের মধ্যে এইচআইভিতে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শতকরা ৮০ ভাগ যাতে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ সেবন করার সুযোগ পায় সেই ব্যবস্থা করা৷ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা জানতে সর্বশেষ ২০০৮ সালে এক জরিপ চালিয়েছিল জাতিসংঘ৷ এতে দেখা যায় সারা বিশ্বে মোট তিন কোটি ৩০ লাখ মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত৷ এসব আক্রান্তরা যাতে মারণব্যধি এইডস এর কবলে না পড়ে সেজন্য বিশ্বের অনেক দেশে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ৷ এজন্য বেশ কয়েক বছর আগে থেকে তারা একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল৷

লক্ষ্যমাত্রার অবস্থা

দেখা যাচ্ছে আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ এই অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ সেবনের সুযোগ পেলেও এই সংখ্যা যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক কম৷ যেমন গত বছর মধ্য আয়ের দেশগুলোর ৫২ লাখ মানুষ এই চিকিৎসা সেবার আওতায় এসেছে৷ এই সংখ্যা তার আগের বছরের চেয়ে শতকরা ৩০ ভাগ বেশি৷ কিন্তু এটিও যথেষ্ট নয়৷ কারণ এখনও বিশ্বের এইচআইভি আক্রান্তদের মাত্র এক তৃতীয়াংশ এই অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ পেয়ে থাকছে৷ এছাড়া মধ্য ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে যেসব মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত তাদের শতকরা ৬০ ভাগই জানে না যে তাদের শরীরে এইচআইভি ভাইরাস রয়েছে৷

Flash-Galerie AIDS Projekte

এইডস প্রতিরোধ নিয়ে অভিনব প্রচারণা

অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধটি কি?

এটি আসলে একটি চিকিৎসা পদ্ধতি৷ এই ড্রাগ বা ওষুধের মাধ্যমে শরীরে থাকা এইচআইভি ভাইরাসের বিস্তারকে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়৷ আর এইচআইভির কারণেই একজন মানুষের এইডস হয়৷ কিন্তু এই ওষুধ অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় জাতিসংঘের উদ্যোগে তুলনামুলক স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে তা বিতরণ করা হয়৷

লক্ষ্যমাত্রা ব্যর্থ হওয়ার কারণ

কারণটি মূলত অর্থনৈতিক৷ গোটা বিশ্বে এখন যে আর্থিক মন্দা চলছে তার কারণে জাতিসংঘ তাদের এইডস বিরোধী চিকিৎসা সেবা কর্মসূচিতে তেমন সাড়া পাচ্ছে না৷ গত ১৫ বছর ধরে এইডস প্রতিরোধে দেশগুলো যেভাবে অর্থায়ন করেছে চলতি বছরে তা দেখা যায়নি৷ গত বছর দাতাদেশগুলো ৮৭০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল৷ তবে এবার তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

ইন্টারনেট লিংক