1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

এইচআইভিরোধক পিল কি ঝুঁকিপূর্ণ যৌন জীবনে উৎসাহ যোগায়?

এইচআইভি সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে পিলসেবীরা আরো ঝুঁকিপূর্ণ যৌন জীবন নাও বেছে নিতে পারেন৷ বিশেষ এই পিলের ব্যবহার এবং যৌন আচরণ সংক্রান্ত এক নতুন গবেষণা থেকে জানা গেছে এই তথ্য৷

Junges Paar im Bett

ফাইল ফটো

নতুন এই গবেষণাটি ‘পাবলিক লাইব্রেরি অব সায়েন্স' এর প্রকাশিত জার্নাল প্লসওয়ান-এ প্রকাশিত হয়েছে৷ ২০১০ সালে শুরু হওয়া তিন বছর মেয়াদে পরিচালিত এই বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে, গিলিয়াট সায়েন্সেস ইনকর্পোরেশন এর তৈরি ট্রুভাডা পিল, যা ইতোমধ্যে এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে, এইচআইভি প্রতিরোধে নব্বই শতাংশের বেশি কার্যকর৷ ওষুধটি গ্রহণকারীদের উপর গবেষণা চালিয়ে সফলতার এই হার পাওয়া গেছে৷

এই গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যতম গবেষক সান ফ্রান্সিসকোর গ্ল্যাডস্টোন ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলোজি এন্ড ইমিউনোলোজির ড. রবার্ট গ্র্যান্ট বলেন, ‘‘অনেকেই একটা বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন৷ তাহচ্ছে এইচআইভি রোধক পিলসেবীদের মধ্যে সম্ভবত আরো ঝুঁকিপূর্ণ যৌন জীবন বেছে নেয়ার প্রবণতা দেখা দেবে৷''

গ্র্যান্ট এবং তাঁর দল তিন বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন৷ ছয়টি দেশে অবস্থানরত প্রায় আড়াই হাজার এইচআইভি নেগেটিভ এমন সমকামী পুরুষ এবং পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত নারী এই গবেষণায় সহায়তা করেছেন৷

গবেষক দল বোঝার চেষ্টা করেছেন, পিল গ্রহণকারীদের মধ্যে আরো ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে কিনা৷ তারা দেখতে পেয়েছেন, নতুন এইচআইভি সংক্রমণের মাত্রা প্রায় চারশো শতাংশ কমে গেছে এবং সিফিলিসের সংক্রমণও কমেছে৷

গ্র্যান্ট জানান, গবেষণায় যৌন আচরণ বৃদ্ধির কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি৷ উল্টো দেখা গেছে, পিলসেবীরা নিরাপদ যৌন জীবনের দিকে বরং আগের চেয়ে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন৷

প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে ‘দ্য লানসেট ইনফেকশাস ডিজিসেস'এ প্রকাশিত একটি গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে সর্বশেষ গবেষণার মিল রয়েছে৷ সেই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন দম্পতির সহায়তা নিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে একজন এইচআইভি আক্রান্ত, কিন্তু অন্যজন নন৷ এক্ষেত্রে অবশ্য পিলসেবীদের মধ্যে স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া বাহ্যিক অন্য কোনো সঙ্গীর সঙ্গে অনিরাপদ যৌনতার মাত্রা একটু বেশি লক্ষ্য করা গেছে৷

উল্লেখ্য, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এইচআইভি পজেটিভ মানুষের সংখ্যা প্রায় বারো লাখ৷ সেদেশে প্রতিবছর নতুন সংক্রমণের পরিমাণ পঞ্চাশ হাজারের মতো৷

এআই / জেডএইচ (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন