উলফার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি | বিশ্ব | DW | 21.07.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

উলফার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি

ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম - উলফার সদস্যরা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে সত্য তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযানও অব্যাহত আছে৷

default

বাংলাদেশে গ্রেপ্তারকৃত উলফা নেতা রঞ্জন চৌধুরী ও প্রদীপ মরক

ব়্যাবের পরিচালক কমান্ডার মোহাম্মদ সোহায়েল এ তথ্য দিয়ে বলেছেন, আটক উলফা নেতা রঞ্জন চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদের সময় নানা চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন৷ বাংলাদেশে আটক উলফা নেতা রঞ্জন চৌধুরীকে এখন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে৷ জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার সামরিক প্রশিক্ষণ এবং বিচ্ছিনতাবাদী তৎপরতার ব্যপারে তথ্য দিচ্ছেন৷ জিজ্ঞাসাবাদকারী কর্মকর্তা ব়্যাবের পরিচালক কমান্ডার মোহাম্মদ সোহায়েল ডয়চে ভেলেকে জানান, রঞ্জন চৌধুরীর ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের প্রশিক্ষণ রয়েছে৷ তার মধ্যে রয়েছে একে-৪৭, মেশিন গান, পিস্তল , রিভালবার,গ্রেনেড প্রভৃতি৷ ১৯৯১ সালে ভারত উলফা নিষদ্ধ করলে তিনি আত্মগোপন করেন এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত আসাম এবং মেঘালয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম চালান বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷

ব়্যাব পরিচালক জানান, বাংলাদেশ ও ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় আশ্রয় নেয়ার জন্য উলফা সদস্যরা বাংলাদেশে প্রবেশ করে৷ তারা নানা পরিচয় এবং নানা কৌশলে এখানে অবস্থান করে৷

তবে বাংলাদেশের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন৷ কোন বিচ্ছিনতাবাদী বা অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে জায়গা দেয়া হবে না৷ এ কারণে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা শেরপুর, কুড়িগ্রাম,কিশোরগজ্ঞ, হালুয়ঘাটে নজরদারী জোরদার করা হয়েছে, বলেন কমান্ডার মোহাম্মদ সোহায়েল৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক