1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

উরুমচি দাঙ্গার বর্ষপূর্তিতে কড়া নিরাপত্তা

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য জিংজিয়াং প্রদেশে জাতিগত দাঙ্গার বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ৷ আর এ উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা৷ রাজ্যের রাজধানী উরুমচিতে চলছে সেনাটহল৷

default

উরুমচিতে কড়া নিরাপত্তা

গত বছরের ৫ জুলাই উরুমচিতে ইসলামে বিশ্বাসী উইগুরদের সঙ্গে হান জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষে অন্তত ২০০ জন নিহত হয়৷ আহত হয় দেড় হাজারের বেশি৷ এটা সরকারি হিসেব৷ বেসরকারি হিসেবে হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি৷

চীনে গত কয়েক যুগে এটাই ছিলো সবচেয়ে বড় জাতিগত দাঙ্গা৷ দাঙ্গার বছর পূর্তি ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও তা যেন নতুন করে সংঘাতে মোড় না নেয় সে জন্য আগে থেকেই সতর্ক চীন সরকার৷ সেজন্য নামানো হয়েছে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা রক্ষী৷ উরুমচির টাক্সিচালক লিউ ইয়ান বার্তা সংস্থা

China Protest

গত বছরের দাঙ্গায় নিহত একজনের আত্মীয়ের কান্না

এএফপিকে বলেন, ‘‘উত্তেজনা আছে৷ দেখুন, রাস্তায় মানুষ কত কম৷ সাধারণ দিনে রাস্তায় অনেক মানুষ থাকতো৷''

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, উরুমচিতে মোতায়েন নিরাপত্তা রক্ষীর সংখ্যা ৪০ হাজার৷ পিপলস স্কোয়ার - যে স্থানটি থেকে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিলো, সেখানে এবার নিরাপত্তা রক্ষী ছাড়া কাউকে দেখা যাচ্ছে না৷ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা৷ দাঙ্গা নিয়ে কোনো ধরনের কর্মসূচি পালন করতে সরকারের তরফে মানা করে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা বিভিন্ন বার্তা মাধ্যমকে জানিয়েছেন৷

জিংজিয়ান রাজ্যের জনসংখ্যা দুই কোটির বেশি৷ এর মধ্যে ৪৬ শতাংশ উইগুর৷ তারা নিজেদের ওই অঞ্চলের আদি বাসিন্দা বলে দাবি করে৷ একইসঙ্গে বলে, রাষ্ট্রীয় মদদে তাদের ভূমিতে হানরা বসতি গড়ছে৷ গত বছরের জুন মাসে দুজন উইগুর নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ৫ জুলাই উরুমচিতে মিছিল বের হয়৷ উইগুরদের অভিযোগ ছিলো, হানদের হামলায় তাদের দুজন মারা গেছে৷ ওই মিছিল থেকে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে৷ চীনা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বিচ্ছিন্নতাবাদী একটি চক্র ওই দাঙ্গায় প্ররোচনা দিয়েছিলো৷ তবে কঠোর হাতে দাঙ্গা দমনের জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় চীনকে৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

সংশ্লিষ্ট বিষয়