1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

উন্নতির পথে ইউরোপ, বাজারে আশার আলো

২০১৩ সালে ধীরে হলেও প্রবৃদ্ধির পথে ফিরেছে ইউরো এলাকা৷ ইটালিতেও আগামী সরকারকে ঘিরে আশার আলো দেখা যাচ্ছে৷ ব্যাংকিং ইউনিয়নের কাঠামো দ্রুত চূড়ান্ত করে ভবিষ্যতে সংকট কাটানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রীরা৷

২০১৩ সালের শেষে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে৷ বিশেষ করে ইউরো এলাকার দুই দুর্বল অর্থনৈতিক দেশ ফ্রান্স ও ইটালির বাজার কিছুটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে৷ সেখানেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে৷ ইটালির নতুন সরকার সংস্কারের কাজ আরও তরান্বিত করবে, এমনটা ধরে নিয়ে রেটিং এজেন্সি মুডিস সে দেশ সম্পর্কে ইতিবাচক মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে৷ ফলে ঋণের বাজারে ইটালির সুদের হারও অনেক কমে গেছে৷

সংকট শুরু হওয়ার পর ইটালিতে পর পর দু'জন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কাজ চালিয়ে যেতে পারেননি৷ এবার তরুণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার গঠন করতে পারলে মাটেও রেনসি কতটা সফল হবেন, সে দিকেই সবার নজর৷ তবে সরকার গঠনের পর তিনি সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবার অঙ্গীকার করেছেন, যাতে দেশের অর্থনীতি অতীতের দুর্বলতা কাটিয়ে আবার চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারে৷ এক স্থিতিশীল সরকার ও একগুচ্ছ পদক্ষেপের মাধ্যমে ইটালিকে দ্রুত চাঙ্গা করতে চান তিনি৷ ফ্রান্সে ধীরে হলেও উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে৷ গ্রিসের জন্য বেলআউট কর্মসূচি ২০১৪ সালের শেষেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা৷ সে দেশের সরকারের সঙ্গে দাতাদের মতবিরোধ কাটিয়ে দ্রুত অগ্রগতির চেষ্টা চলছে৷

ইউরোপের উন্নতির পথে ভবিষ্যতে বাধা প্রতিরোধ করতে সক্রিয় রাজনীতিকরা৷ ভবিষ্যতে কোনো ব্যাংক ফেল করলে সেটিকে বাঁচাতে যাতে সাধারণ করদাতাদের অর্থে হাত না পড়ে, সেই লক্ষ্যে ইউরো এলাকার অর্থমন্ত্রীরা সোমবার এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন৷ প্রস্তাবিত ব্যাংকিং ইউনিয়নের অংশ হিসেবেই এই কাঠামো প্রস্তুত করা হচ্ছে৷ এখন তাঁদের ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সঙ্গে ঐকমত্যে আসতে হবে৷ আগামী মে মাসে নির্বাচনের আগেই এই কাজ সেরে ফেলার জন্য চাপ বাড়ছে৷ লেনদেনের উপর কর চাপানোর পরিকল্পনাও কার্যকর করতে চায় ফ্রান্সের মতো বেশ কিছু দেশ৷ জার্মানি সহ আরও ৯টি দেশ এই প্রস্তাবে সায় দিচ্ছে, তবে খুঁটিনাটি কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে৷ ব্রিটেন এই ধরনের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছে৷ অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ইউরোপীয় সমন্বয় প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে লন্ডন ধীরে ধীরে তার গুরুত্ব হারাবে৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন