1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

উত্তর কোরিয়া ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা

উত্তর কোরিয়া এবার মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে জাপান সাগরে৷ এর ফলে দু'দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে৷ জাপানের প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনাকে ঐ অঞ্চলের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন৷

বুধবার সকালে জাপান নিয়ন্ত্রিত সমুদ্রসীমায় প্রথমবারের মতো ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া৷ সমুদ্রসীমার কাছাকাছি ভূমিষ্ট হয় এটি৷ মিসাইলের প্রধান অংশটি জাপানের ‘ইকোনমিক এক্সক্লুশন জোন'-এ পড়েছে বলে জানিয়েছেন জাপানের কর্মকর্তারা৷ এর ফলে দু'দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে৷ এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ায় মিসাইল প্রতিরোধক ব্যবস্থা স্থাপনের কথা ভাবছে৷

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এই মিসাইল উৎক্ষেপণকে ‘জাপানের জন্য ভয়ংকর হুমকি' হিসেবে উল্লেখ করেছেন৷ টোকিও এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি৷ এছাড়া জাপান তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে৷

ভিডিও দেখুন 00:43

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই উত্তর কোরিয়া এ ধরনের আচরণ করছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড জানিয়েছে, তারা দু'টি ক্ষেপণাস্ত্র খুঁজে পেয়েছে, যার মধ্যে একটি উৎক্ষেপণের সাথে সাথে বিস্ফোরিত হয়েছে৷ সিউল সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে জাপানের সমুদ্রে দ্বিতীয় মিসাইলটি ভূমিষ্ট হয়৷ মিসাইলটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং-এর দক্ষিণ পশ্চিমে হোয়াংহেই প্রদেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া৷

সউল এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার এ আচরণে বোঝা যায় দক্ষিণ কোরিয়া এবং এর প্রতিবেশি দেশগুলোর উপর সরাসরি এবং বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে উত্তর কোরিয়া৷ ক্ষেপণাস্ত্রটির মাঝারি পাল্লার৷ ১০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম৷

উত্তেজনা চরমে

এ মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া বড় ধরনের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে৷ উত্তর কোরিয়া বরাবরই এই মহড়ার বিরোধিতা করে আসছে৷ গত মার্চেই উত্তর কোরিয়ার উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাতিসংঘ৷ জানুয়ারিতে পিয়ংইয়ং-এর চতুর্থ দফা পারমাণবিক পরীক্ষার পর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন