1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

উত্তর কোরিয়াকে ২-১ গোলে হারালো ব্রাজিল

জোহানেসবার্গের এলিস পার্কে৷ ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের মাঠে প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়া৷ লড়াই চলছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের সাথে৷ তবুও লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি৷ গোল বিহীন প্রথমার্ধ৷

default

গোল দেওয়ার পর মায়কনকে ঘিরে উল্লাস

শিরোপা জয়ে দক্ষ ব্রাজিলিয়ানরা বিরতির সময়েই সেরে ফেলেন নতুন আক্রমণের মূল ছক৷ কাজও হয় তাতে৷ বিরতির পর ঠিক ১০ মিনিটেই দেখা মেলে সূচনা গোলের৷ ইন্টার মিলানের রাইট-ব্যাক মায়কনই কাটালেন মঙ্গলবারের তৃতীয় ম্যাচের একঘেয়েমির পালা৷ এলানোর বাড়িয়ে দেওয়া বলের যথেষ্ট সদ্ব্যবহার করেন মায়কন৷ মায়কন শুধু গোলই করেননি, বরং তিনি যেন পুরো দলকেই এনে দিলেন হারানো উদ্যম৷

প্রথম গোলের পর থেকেই নিজেদের দাপট বজায় রাখতে শুরু করে কোচ কার্লোস দুঙ্গার ছেলেরা৷ উত্তর কোরিয়ার প্রতিরোধ ব্যুহ পাশ কাটিয়ে একটি সুন্দর বল তৈরি করে দেন রবিনহো৷ ঠিকমতোই কাজে লাগান এলানো৷ ৭২ মিনিটে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০ গোলে৷ ৪৪ বছর পর ফুটবলের বৃহত্তম আসরের মাঠে নামলেও জি ইয়ুন নামের বদৌলতে একটি গোল শোধ করে উত্তর কোরিয়া৷ ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হতে যখন মাত্র এক মিনিট বাকি, ঠিক তখনই দেখা মেলে উত্তর কোরিয়ার পক্ষের একমাত্র গোলটির৷

Fußball WM 2010 Südafrika Brasilien vs Nordkorea Flash-Galerie

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে একমাত্র গোল করার মুহূর্তে উত্তর কোরিয়ার জি ইয়ুম নাম

যাহোক, জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা কাকা এবং রবিনহোর পা থেকে কোন গোল না পেয়ে ভক্তরা যে হতাশ তাতে সন্দেহ নেই৷ অবশ্য, ফুটবল বিশারদদের মন্তব্য, উত্তর কোরিয়ার চেয়ে আরো ভালো দলের জন্যই হয়তো প্রতীক্ষায় আছেন কাকা-রবিনহো জুটি৷ তবে উত্তর কোরিয়ার শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যুহর প্রশংসা করলেন রবিনহো৷ বললেন, ‘‘তারা নিজেদের খুব সুরক্ষিত রেখেই খেলেছে৷ এমন অবস্থায় ধৈর্য্য ধরাই উচিত৷ আর একটিও গোল না হলে এটা আরো কঠিন হয়ে ওঠে৷''

এদিকে, ফুটবল বিশ্বকে মর্মাহত করেছে সংঘাতপূর্ণ সোমালিয়ার ঘটনা৷ দেশটির একটি ইসলামি গোষ্ঠীর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও টেলিভিশনে ফুটবল খেলা দেখার অপরাধে খুন হতে হয়েছে দু'জনকে৷ এছাড়া হিজবুল ইসলাম নামের ঐ গোষ্ঠী একই অপরাধে ধরে নিয়ে গেছে আরো ৩৫ জনকে৷ অন্যদিকে, ডার্বানে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার৷ তবে ঘটনার পর ডার্বান, জোহানেসবার্গ, কেপটাউন এবং পোর্ট এলিজাবেথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে বলে খবর৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়