1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

উত্তপ্ত বাহরাইন, সারারত সংঘর্ষ, নিহত আরও তিন

পরিস্থিতি ঘুরতে শুরু করেছে বাহরাইনে৷ সারারাতের জমায়েতের ওপর পুলিশের লাঠি, কাঁদানে গ্যাস৷ নিহত তিন৷ বিক্ষোভ পা দিল চারদিনে৷ মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে উত্তর আফ্রিকাতেও৷

default

সরকার বিরোধী বিক্ষোভের ছবি, মানামায়

তাহরির স্কোয়্যারের বিপ্লব এখন পার্ল স্কোয়্যারে

কায়রোর প্রাণকেন্দ্র তাহরির স্কোয়্যার হয়ে উঠেছিল বিক্ষোভের হৃৎপিন্ড৷ সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল দেশজোড়া বিপ্লব৷ তিনশো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে সেই বিপ্লবের সাফল্য এসেছে ১৮ দিনে৷ পদত্যাগ করে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন মুবারক৷ বাহরাইনের মত সংবাদে না থাকার মত একটা দেশে সেই একই ধাঁচের বিপ্লব পা দিল চারদিনে৷ শহরের মাঝখানের পার্ল স্কোয়্যারের গোটা চত্বরটার দখল নিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী৷ ইতিমধ্যেই গত তিনদিনে দুজনের প্রাণ গেছে বাহরাইনে৷ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের কাল সারারাত দফায় দফায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ ‘কাঁদানে গ্যাস চালাচ্ছে পুলিশ'৷ রয়টার্সকে বলেছেন এক বিক্ষোভকারী৷ নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন তিনজন৷ বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবরও মিলেছে৷ সব মিলিয়ে নিহত পাঁচজন গত তিনদিন আর কাল রাত থেকে চলা সংঘর্ষে৷ তবে পুরো ছবিটা এখনও পর্যন্ত তেমন স্পষ্ট নয়৷

Bahrain Protest Demonstration Trauerzug Ali Abdul Hadi Mushima Flash-Galerie

সাতাশ বছরের মুসিমা নিহত হন বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে৷ তাঁর মরদেহ নিয়ে শোকমিছিল মানামার পথে৷

কী দাবি বাহরাইনের বিক্ষোভকারীদের

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ বাহরাইনের সাধারণ জনতার দাবি, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে৷ আরও কাজ আর বাড়িঘরদোরের সুবিধা চাই৷ সংসদকে গণতান্ত্রিক করতে হবে৷ চাই নতুন জনগণের সংবিধান৷ আর চল্লিশ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসে থাকা খালিফা বিন সালামকে আর দেখতে চায় না জনগণ ৷ তাই চাই নতুন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা৷ কিন্তু স্বভাবতই বাহরিন এমন একটা দেশ, আরব মুলুকের যে দেশে মার্কিন রণতরীর ফিফথ ফ্লিট রাখা থাকে৷ ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের তাগড়া সম্পর্ক৷ সুতরাং যুক্তরাষ্ট্র পুরো ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জ্ঞাপন করেছে৷ এখানে কিন্তু চট করে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ নিতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র৷

মধ্যপ্রাচ্য ছাপিয়ে বিক্ষোভের ঢল এখন উত্তর আফ্রিকাতেও

লিবিয়াতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে তাদের প্রবাদপ্রতিম নেতা মুয়াম্মার গদ্দাফির বিরুদ্ধে৷ যা অভাবনীয় ব্যাপার৷ বিপ্লবের আগুন সেখানে খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে৷ যদিও প্রশাসন সতর্ক অবস্থান নিয়ে নিয়েছে৷ এদিকে পরিস্থিতি উত্তাল দীর্ঘদিন ধরে সরকারবিহীন দেশ লেবাননেরও৷ সেখানেও সুশাসনের দাবিতে দেখা দিয়েছে বিক্ষোভ৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরামর্শ, এই সময়টা সতর্কভাবে পর্যালোচনা করা৷ কোনরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না কেউই৷

প্রতিবেদন : সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়