1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভাইরাল ভিডিও

উইনি দ্য পু চীনে নিষিদ্ধ হলো কেন?

১৯২৬ সাল থেকে ‘পু বেয়ার' নামের ভাল্লুকটি সারা দুনিয়ার কচিকাঁচাদের মন জয় করে আসছে৷ অথচ শিশুসাহিত্যের এই অমর চরিত্রটি চীনা সেন্সরদের কোপে পড়েছে৷ কারণ পু-কে নাকি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর মতো দেখতে!

এ এ মিলনের লেখার সঙ্গে পরে যখন ওয়াল্ট ডিজনির তৈরি কার্টুন ফিল্ম যুক্ত হয়, তখন আর পু-র অমরত্বের কিছু বাকি থাকে না৷ কিন্তু এবার পু-কে চীনের ইন্টারনেট থেকে উধাও হতে হয়েছে – কেননা সোশ্যাল মিডিয়ায়

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে পু-র সাদৃশ্য একটা রসিকতায় পরিণত হয়েছিল৷

রাজনীতি রসিকতা বোঝে না: ২০১৩ সালে শি গেলেন অ্যামেরিকায় প্রেসিডেন্ট ওবামার খামারবাড়িতে৷ দুই প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি পদচারণার ছবিটি যে ঠিক পু আর তার বন্ধু টিগার নামের বাঘটির পাশাপাশি হাঁটার ছবির মতো, এই সাদৃশ্যটি আবিষ্কৃত হবার পর শি-র ‘খামারবাড়ির কূটনীতি' নিয়ে আর কেউ মাথা ঘামায়নি৷

২০১৪ সালে বেইজিং-এ এপেক শীর্যবৈঠক উপলক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে শি জিনপিং-এর করমর্দনের ছবি৷ পু দ্য বেয়ার কাহিনিতে এই দৃশ্যেরও যে একটি জোড়োয়া আছে, তা কে জানত! সে ছবিতে পু দ্য বেয়ার ইয়োর নামের গাধাটির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে আর নিন্দুক আর দুর্মুখরা যা ভাবার, তা ভেবে নিচ্ছে...

২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সামরিক কুচকাওয়াজ, সেখানে গাড়িতে করে যাচ্ছেন শি – কিন্তু কোথায় যেন পু ভাল্লুকের খেলনার গাড়ি চালানোর সঙ্গে মিল আছে...

কাজেই চীনের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে উইনি দ্য পু সংক্রান্ত খোঁজার শব্দগুলি আটকে দেওয়া হয়েছে৷ টেনসেন্ট হলো চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি ও উইচ্যাট চ্যাট প্রোগ্রামটির অপারেটর – সারা বিশ্বে যার ব্যবহারকারীর স্ংখ্যা প্রায় ৯৪ কোটি৷ টেনসেন্ট-এ আগে টিগার আর পু বেয়ার-এর ইমোজি পাওয়া যেত৷ এখন আর তা ডাউনলোড করা যাচ্ছে না৷

পরিবর্তে সারা বিশ্বে এখন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনে পু ভাল্লুক নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে হুল্লোড় চলেছে৷

এসি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক